শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় পুলিশ সপ্তাহ ২০২৬-এর ‘পদক প্রদান অনুষ্ঠানে’ প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যারা ফ্যাসিবাদের ও আওয়ামী শক্তির দোসরদের আইনের আওতায় আনতে পারবেন তাদের পুরস্কৃত করা হবে। গত সপ্তাহে এ ধরনের দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গতকালও একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তিনি বলেন, এতদিন তারা এখানেই লুকিয়ে ছিলেন। আমাদের ইন্টেলিজেন্স সাপোর্ট কোথায় ছিল? পুলিশের ইন্টেলিজেন্স সাপোর্টকে আমি সবচেয়ে উত্তম মনে করি। অন্যান্য অর্গানাইজেশনের যে ইন্টেলিজেন্স সাপোর্ট সেটাও মিলিয়ে দেখার জন্য তুলনা করি। আপনারা আপনাদের ইন্টেলিজেন্স সাপোর্ট ব্যবহার করুন।
দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে এমন ব্যক্তিদের বিরুদ্ধেও আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী এক মাসে দেশের প্রায় ১ হাজার ৪০০ নাগরিক হত্যার শিকার হয়েছেন। একই সঙ্গে গত ১৭ বছরের বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, গুম ও হেফাজতে মৃত্যুর বিভিন্ন হিসাবের কথাও উল্লেখ করেন তিনি।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যারা এক মাসে ১ হাজার ৪০০ মানুষকে হত্যা করতে পারে, আসমান থেকে গুলি করে দেশের নাগরিকদের হত্যা করতে পারে, যারা বাংলাদেশের সব প্রতিষ্ঠানকে দলীয়করণ করে দেশকে গণতন্ত্রহীন রাষ্ট্রে পরিণত করতে পেরেছিল, সেই শক্তিকে বাংলাদেশের মানুষ কখনো আহ্বান জানাবে কি না। এ দেশের মানুষ কখনো চাইতে পারে তারা বাংলাদেশের রাজনীতি করুক কি না।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যারা এক মাসে ১ হাজার ৪০০ মানুষকে হত্যা করতে পারে, আকাশ থেকে গুলি চালিয়ে দেশের নাগরিকদের হত্যা করে এবং বাংলাদেশের সব প্রতিষ্ঠানকে দলীয়করণ করে দেশকে গণতন্ত্রহীন রাষ্ট্রে পরিণত করেছিল—সেই শক্তিকে বাংলাদেশের মানুষ কখনো পুনর্বাসিত করবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। এ দেশের মানুষ তাদের আর রাজনীতি করতে দেখতে চায় কি না, তা ভেবে দেখার বিষয়।