ভারতীয় গণমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, দক্ষিণ কলকাতার চারু মার্কেট থানায় এক আইনজীবী রচনা ব্যানার্জির বিরুদ্ধে এই গুরুতর অভিযোগটি আনেন। ২০২৪ সালের আগস্ট মাসে আরজিকর হাসপাতালের সেই নৃশংস ঘটনার আবহে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ভিডিও বার্তা পোস্ট করেছিলেন রচনা ব্যানার্জি।
অভিযোগ উঠেছে, একজন সাংসদ হওয়া সত্ত্বেও সেই ভিডিওতে তিনি একাধিকবার নিহত নির্যাতিতা তরুণী চিকিৎসকের নাম উচ্চারণ করেছিলেন, যা দেশটির প্রচলিত আইনানুযায়ী সম্পূর্ণ দণ্ডনীয় অপরাধ। ভিডিওটি সে সময় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশ ভাইরালও হয়েছিল।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, দেড় বছর আগের ঘটনা নিয়ে এখন কেন থানা-পুলিশ? এই বিষয়ে অভিযোগকারী আইনজীবী জানিয়েছেন, অপরাধটি যখন ঘটেছিল, তখনই তিনি তৎকালীন পুলিশ কমিশনারের (সিপি) কাছে লিখিতভাবে অভিযোগ জানিয়েছিলেন। কিন্তু তৎকালীন সরকার ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে তারকা সাংসদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
তিনি আরও জানান, আজ ২০২৬ সালের জুন মাস চললেও এখনো সেই ভিডিওটি ইন্টারনেটের বিভিন্ন মাধ্যমে ঘুরে বেড়াচ্ছে। তাই রাজ্যে ক্ষমতার পালাবদলের পর, এবার চারু মার্কেট থানায় পুনরায় নতুন করে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন তিনি।