রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম বলেন, জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে ১০৪ জনকে গুম ও হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে। এর মধ্যে তিনটি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে। এ মামলায় ট্রাইব্যুনাল-১-এ ১৩ নম্বর সাক্ষী হিসেবে সাবেক র্যাব কর্মকর্তা মেজর (অব.) সাব্বির রহমান জবানবন্দি দিয়েছেন এবং তার জেরা শেষ হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘আমরা দালিলিক ও প্রত্যক্ষদর্শীসহ যথেষ্ট সাক্ষ্যপ্রমাণ উপস্থাপন করেছি। এসবের ভিত্তিতে জিয়াউলের সর্বোচ্চ শাস্তি হতে পারে বলে আমরা মনে করি। তবে শাস্তি দেওয়ার এখতিয়ার আমাদের নয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের সময় আমরা এসব বিষয় তুলে ধরবো।’
মিজানুল ইসলাম জানান, মামলার প্রতিটি অভিযোগে প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষী উপস্থাপন করা হয়েছে। তাদের মধ্যে জিয়াউলের অধীন কর্মকর্তারাও রয়েছেন। এ ছাড়া তার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের দু-একজন সাক্ষ্য দিয়েছেন।
তিনি বলেন, রাষ্ট্রপক্ষের তদন্তকারী কর্মকর্তার সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হলে আসামিপক্ষ চাইলে আদালতের অনুমতি নিয়ে সাফাই সাক্ষ্য দিতে পারবেন। এখন পর্যন্ত আসামিপক্ষ দুজন সাফাই সাক্ষীর তালিকা দিয়েছে।
বিচারকাজ শেষ হওয়ার সম্ভাব্য সময় সম্পর্কে প্রসিকিউটর বলেন, মামলার কার্যক্রম কবে শেষ হবে, সেটি নির্ধারণের এখতিয়ার ট্রাইব্যুনালের। রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষ্যগ্রহণ এখনও শেষ হয়নি। তবে স্বাভাবিক গতিতে কার্যক্রম চললে অক্টোবরের মধ্যে উভয়পক্ষের সাক্ষ্যগ্রহণ ও যুক্তিতর্ক শেষ হতে পারে বলে আশা করছেন তারা।