প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সসহ শীর্ষ প্রশাসনিক কর্মকর্তারা এতে অংশ নিতে পারেন। তবে বৈঠকের সময়, স্থান ও অংশগ্রহণকারীদের বিষয়টি এখনো চূড়ান্ত হয়নি। নিরাপত্তাজনিত কারণে পাকিস্তানের পাশাপাশি তুরস্ককেও সম্ভাব্য ভেন্যু হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
এদিকে, ইরান যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূতের পরিবর্তে সরাসরি ভাইস প্রেসিডেন্ট ভ্যান্সের সঙ্গে আলোচনায় আগ্রহ দেখিয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। পূর্ববর্তী আলোচনার পর যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের সামরিক পদক্ষেপে পারস্পরিক আস্থার ঘাটতির কারণেই এই অবস্থান বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে আলোচনা চলমান রয়েছে এবং এতে ভ্যান্স, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা যুক্ত আছেন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানের মাধ্যমে ইরানের কাছে যুদ্ধ অবসানে ১৫ দফা প্রস্তাব পাঠিয়েছে। এতে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং হরমুজ প্রণালীর সামুদ্রিক নিরাপত্তার বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
তবে ইরান এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতি তাদের নিজস্ব শর্ত ও সময়সূচি অনুযায়ী হবে। পাশাপাশি তারা আগ্রাসন ও হত্যাকাণ্ড বন্ধসহ পাঁচটি শর্ত উত্থাপন করেছে।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি