রোববার (২৪ মে) বিশেষ দায়রা জজ ও বিশেষ জজ (জেলা ও দায়রা জজ) এসএম নূরুল ইসলাম এক রায়ে এ সাজা দিয়েছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্ট আদালতের এপিপি আনিসুর রহমান পলাশ।
সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, শার্শা উপজেলার পাঁচভুলট গ্রামের দক্ষিণপাড়ার আজিবার বদ্দির ছেলে সাজু বদ্ধি, হযরত আলীর ছেলে আলামিন ও খোরশেদ আলমের ছেলে মেহেদী হাসান।
মামলার বিবরণে জানা গেছে, ২০১৭ সালের ২৯ ডিসেম্বর শার্শার পাঁচভুলট বিজিবি ক্যাম্পের সদস্যরা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাজগঞ্জ গ্রামের ও অভয়বাসগামী কাঁচা রাস্তার উপর অবস্থান নেন। গভীর রাতে মাঠের দিক হতে তিনজনকে আসতে দেখে বিজিবি। এ সময় ধাওয়া করে মেহেদী ও সাজুকে আটক এবং অপর আসামি আলামিন ব্যাগ ফেলে পালিয়ে যায়। আটক দুইজনের কাছে থাকা ব্যাগ ও ফেলে যাওয়া ব্যাগ তল্লাশি করে ৮৬ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় পাঁচভুলট বিজিবি ক্যাম্পের নায়েক সুবেদার মোফাজ্জেল হোসেন বাদী হয়ে আটক দুইজনসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে বেনাপোল থানায় মামলা করেন। এ মামলা তদন্ত শেষে তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই হারুন অর রশিদ ওই তিনজনকে অভিযুক্ত করে ২০১৮ সালের ২০ জানুয়ারি আদালতে চার্জশিট জমা দেন।
দীর্ঘ সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আসামি সাজু বদ্দি ও আলামিন বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ১৯(১) ধারার টেবিলের ৩(খ) ক্রমিকে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় প্রত্যেককে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড, ৫ হাজর টাকা করে জরিমান অনাদায়ে আরও ৬ মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং আসামি মেহেদী হাসানের বিরুদ্ধে ১৯ ( ১) এর ৩(ক) ধারায় অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ২ বছর সশ্রম কারাদণ্ড, ৩ হাজার টাকা জরিমান অনাদায়ে আরও ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন বিচারক।
সাজাপ্রপ্ত তিনজনই জামিনে মুক্তি পেয়ে পলাতক রয়েছে। যে কারণে বিচারক তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ দিয়েছেন।