নতুন এই সুবিধা ব্যবহার করতে ব্যবহারকারীদের যেতে হবে my.WordPress.net ঠিকানায়। সেখানে একটি আলাদা ওয়ার্কস্পেস খুলবে। সেখান থেকেই শুরু করা যাবে ওয়েবসাইট তৈরির কাজ।
ওয়ার্ডপ্রেস জানিয়েছে, এই ওয়েবসাইটগুলো মূলত ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য। সাধারণ ওয়েবসাইটের মতো এগুলো সার্চ বা ট্রাফিকের জন্য অপটিমাইজ করা থাকবে না। তবে ব্যক্তিগত লেখা, নোট রাখা কিংবা গবেষণার কাজে এটি ব্যবহার করা যাবে। এ ছাড়া নতুন প্লাগইন, থিম বা ফিচার পরীক্ষা করার জন্যও এটি উপযোগী।
ওয়ার্ডপ্রেসের ভাষ্য, এখানে তৈরি করা সব তথ্য ব্যবহারকারীর ব্রাউজারেই সংরক্ষিত থাকবে। সেগুলো কোথাও আপলোড করা হবে না। নতুন সাইট তৈরির জন্য খুব বেশি তথ্যও দিতে হবে না। শুধু নিজের নাম লিখলেই কাজ শুরু করা যাবে।
এই টুলটি তৈরি করা হয়েছে WordPress Playground প্রযুক্তির ওপর ভিত্তি করে। এর আগে এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে ওয়ার্ডপ্রেসের ডেমো সংস্করণ তৈরি করা হতো।
নতুন এই ব্রাউজারভিত্তিক প্ল্যাটফর্মে শুরুতে প্রায় ১০০ মেগাবাইট স্টোরেজ পাওয়া যাবে। এখানে কয়েকটি বিল্ট–ইন প্লাগইনও থাকবে। এর মধ্যে রয়েছে ব্যক্তিগত আরএসএস রিডার। গ্রাহক সম্পর্ক ব্যবস্থাপনা বা সিআরএম টুল। এ ছাড়া একটি এআই–চালিত সহকারীও রয়েছে।