১৯৭০-এর দশকের তেল সংকট ও ২০২২ সালে ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক অভিযানের সময়কার চেয়ে বর্তমান সংকটের প্রভাব বেশি বলে মনে করেন তিনি।
সোমবার (২৩ মার্চ) অস্ট্রেলিয়ার ক্যানবেরা–এ ন্যাশনাল প্রেস ক্লাবে এক অনুষ্ঠানে বিরোল বলেন, ইরান যুদ্ধের কারণে বিশ্ববাজারে প্রতিদিন ১১ মিলিয়ন ব্যারেল তেলের সরবরাহ কমেছে, যা আগের দুটি তেল সংকটের সম্মিলিত প্রভাবের চেয়ে বেশি। তিনি হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়াকেই সমস্যার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সমাধান হিসেবে দেখছেন।
আইইএ-এর সদস্য দেশগুলো গত ১১ মার্চ বৈশ্বিক অপরিশোধিত তেলের মূল্যবৃদ্ধি মোকাবিলার জন্য কৌশলগত মজুত থেকে রেকর্ড ৪০০ মিলিয়ন ব্যারেল তেল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই ছাড় মোট মজুতের প্রায় ২০ শতাংশের সমান। তবে নতুন তেল ছাড়ের জন্য কোনো নির্দিষ্ট মূল্যসীমা নির্ধারণ করা হবে না।
বিরোল জানান, মজুত তেল ছাড় বাজারকে সাময়িকভাবে স্থিতিশীল করতে সাহায্য করবে, কিন্তু এটি চূড়ান্ত সমাধান নয়। এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চল তেল সংকটের সম্মুখভাগে থাকায় তিনি ক্যানবেরা থেকে বিশ্ব সফর শুরু করেছেন। এই অঞ্চল হরমুজ প্রণালির ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল।
তিনি আরও বলেন, বিশ্বব্যাপী নীতিনির্ধারকরা সংকটের গভীরতা সঠিকভাবে উপলব্ধি করতে পারেননি। আইইএ-এর হাতে আরও বিভিন্ন পদক্ষেপ রয়েছে, যেমন যানবাহনের গতিতে সীমা আরোপ বা ঘরে বসে কাজের ব্যবস্থা, যা ২০২২ সালে ইউরোপে কার্যকর প্রমাণিত হয়েছিল। তবে প্রতিটি দেশকে নিজস্ব পরিস্থিতি অনুযায়ী জ্বালানি সাশ্রয়ের উপায় নির্ধারণ করতে হবে।
সূত্র: রয়টার্স