পারিবারিক শোক ও দায়িত্ববোধ থেকে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে তিনি গত শুক্রবার দুপুরে মহেশপুর থানায় উপস্থিত হন। জানা গেছে, শুক্রবার সকালে লন্ডন থেকে ঢাকায় পৌঁছানোর পর তিনি দ্রুত যশোরে যান এবং সেখান থেকে স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে সরাসরি মহেশপুরে আসেন।
থানায় এসে তিনি স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং তার নিহত ভাইয়ের লাশ উদ্ধারের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। পরিবারের একমাত্র ইচ্ছা—হাসেমীর মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন করে নিজ দেশে নিয়ে গিয়ে ধর্মীয় বিধান অনুযায়ী পুনরায় দাফন করা।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এ ধরনের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ বাধ্যতামূলক। এজন্য মীর ওয়ার্সীকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত ও আদালতের অনুমতি নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে তিনি সেই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করছেন।
একজন ভাইয়ের প্রতি আরেক ভাইয়ের গভীর ভালোবাসা ও দায়িত্ববোধের এই ঘটনা স্থানীয়দের মাঝেও ব্যাপক সহমর্মিতা সৃষ্টি করেছে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, সকল আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে দ্রুতই মরদেহ উত্তোলন করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা সম্ভব হবে।