প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, রোববার দুপুরে শারমিনের স্বামী বাসায় ফিরে দরজা বাইরে থেকে বন্ধ দেখতে পান। তিনি জানান, বেলা আনুমানিক ২টা থেকে ৩টার মধ্যে বাসায় এসে দরজা বন্ধ অবস্থায় দেখতে পান। পরে ঘরে প্রবেশ করে তিনি শারমিনকে মাথায় আঘাতপ্রাপ্ত ও রক্তাক্ত অবস্থায় মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখেন। সে সময় তার কোনো সাড়া ছিল না।
পরে বাড়িওয়ালার সহায়তায় শারমিনকে উদ্ধার করে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে আশুলিয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর এ কে এম রাশিদুল আলম বলেন, বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ঘটনাটি সম্পর্কে জানতে পারে। পরে মরদেহ সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। বিকেল পৌনে ৫টার দিকে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে মরদেহ পোস্টমর্টেমের জন্য ঢাকার শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামাল হাওলাদার বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। প্রাথমিকভাবে এটি হত্যাকাণ্ড হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে এবং ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে।