১০ এপ্রিল শুক্রবার ভোররাত আনুমানিক ৪টা ৩০ মিনিটে সোনারগাঁও থানাধীন চেঙ্গাইন এলাকায়, সোনারগাঁও ফুড প্রোডাক্টসের সামনে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী বোরহান উদ্দিন (৩৩), পিতা নাসির উদ্দিন, চট্টগ্রামের মিরসরাই থানার পূর্ব পোল মোগড়া এলাকার বাসিন্দা। তিনি একটি নোহা মাইক্রোযোগে বিমানবন্দর থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিলেন।
পথিমধ্যে সংঘবদ্ধ ৫-৬ জন অজ্ঞাতনামা ডাকাত দেশীয় অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে তার বহনকারী গাড়ির গতি রোধ করে। পরে তারা তাকে জিম্মি করে মূল্যবান সামগ্রী লুট করে নেয়। লুট হওয়া সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে একটি আইফোন, একটি ল্যাপটপ, আনুমানিক ৯০ গ্রাম স্বর্ণ এবং দুটি পাসপোর্ট।
এ ধরনের দুঃসাহসিক ডাকাতি স্পষ্টভাবে প্রমাণ করে যে মহাসড়কে নিরাপত্তা ব্যবস্থার চরম অবনতি ঘটেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর টহল ও নজরদারির ঘাটতির সুযোগ নিয়েই অপরাধীরা একের পর এক এমন ঘটনা ঘটিয়ে যাচ্ছে।
স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত সময়ের মধ্যে অপরাধীদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করতে হবে এবং মহাসড়কে কঠোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় সাধারণ মানুষের জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তা মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়বে।
এই ঘটনায় এখনো পর্যন্ত জড়িতদের শনাক্ত বা গ্রেপ্তারের কোনো অগ্রগতি না হওয়ায় জনমনে ক্ষোভ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে।
এশিয়ান হাইওয়েতে চলাচল রত যাত্রীরা জানান,হাইওয়ে পুলিশ শুধুমাত্র মহাসড়কে বিভিন্ন যানবাহনে চাঁদাবাজি ও মাসোহারা নিয়ে উল্টো পথে অবৈধ থ্রীহুইলার চালানোর কাজে ব্যস্ত।এশিয়ান হাইওয়েতে একের পর এক ডাকাতির ঘটনা ঘটলেও এখানে হাইওয়ে পুলিশের কোন টিম থাকে না।হয়তো ডাকাতদের সাথে তাদের আতাত থাকতে পারে।
এ বিষয়ে কাঁচপুর হাইওয়ে পুলিশের পরিদর্শক বৃষ্ণু পদ শর্মা বলেন,এশিয়ান হাইওয়েতে আমাদের কোন পুলিশের টিম কাজ করে না।আমাদের ৮ টি টিম বিভিন্ন জায়গায় দায়িত্ব পালন করে। তবে এশিয়ান হাইওয়ে একটি ডাকাত প্রবন এলাকা সত্বেও এখানে কেনো হাইওয়ে পুলিশের টিম দেয়া হয় বা তাকে এই প্রশ্ন করা হলে তিনি কেন সন্তোষজনক উত্তর দিতে পারেননি।