বগুড়া সদর আসনে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা। ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, ধানের শীষ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন মোট ১ লাখ ৩৩ হাজার ২১৫ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর আবিদুর রহমান সোহেল (দাঁড়িপাল্লা প্রতীক) পেয়েছেন ৫৬ হাজার ৯০৪ ভোট। অর্থাৎ প্রায় ৭৬ হাজার ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন বাদশা। এই আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ৫০ হাজার ৩০৭ জন এবং ভোট পড়েছে ৪২.৪৯ শতাংশ।
অন্যদিকে, শেরপুর-৩ আসনে বিপুল ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য মো. মাহমুদুল হক রুবেল। তিনি মোট ১ লাখ ৬৬ হাজার ১১৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত মনোনীত মাসুদুর রহমান মাসুদ পেয়েছেন ৪৭ হাজার ৫১ ভোট। বাসদের মিজানুর রহমান পেয়েছেন মাত্র ৪৮০ ভোট।
উল্লেখ্য, শেরপুর-৩ আসনে জামায়াত নেতা নুরুজ্জামান বাদলের মৃত্যুজনিত কারণে গত ১২ ফেব্রুয়ারির স্থগিত হওয়া নির্বাচন আজ পুনঃতফসিলে অনুষ্ঠিত হয়। এই আসনে ভোটের হার ছিল ৫২.১৯ শতাংশ।
ভোটগ্রহণ চলাকালে শেরপুর-৩ আসনের জামায়াত প্রার্থী মাসুদুর রহমান মাসুদ এজেন্টদের কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়া ও জাল ভোটের অভিযোগ তুলে বিকেল সোয়া তিনটায় নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেন। একইভাবে বগুড়া-৬ আসনের জামায়াত প্রার্থীও ফলাফল শিটে স্বাক্ষরসহ বিভিন্ন বিষয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন।
তবে বিজয়ী প্রার্থীরা এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, নিশ্চিত পরাজয় জেনেই জামায়াত প্রার্থীরা এসব ভিত্তিহীন দাবি করছেন।
দুটি আসনেই বড় কোনো সহিংসতার ছাড়াই ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। জয়ের খবর ছড়িয়ে পড়লে সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে উল্লাস দেখা গেছে।