আল মামুন জানান, সাংবাদিক আনিস আলমগীরের জামিনের কাগজপত্র একদিন আগে কারাগারে পৌঁছায়। যাচাই-বাছাই শেষে দুপুর ২টা ৩৫ মিনিটে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়। মুক্তির সময় তার স্ত্রীসহ স্বজনরা কারাগারে উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে, ১১ মার্চ ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. সাব্বির ফয়েজ শুনানি নিয়ে আনিস আলমগীরের জামিন মঞ্জুর করেন।
স্মরণীয়, গত বছরের ১৪ ডিসেম্বর রাতে ধানমন্ডির একটি ব্যায়ামাগার থেকে ডিবি পুলিশের কাছে নেওয়া হয় আনিস আলমগীরকে। পরদিন উত্তরা পশ্চিম থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হয়। পাঁচ দিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়।
এছাড়াও, ১৫ জানুয়ারি দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) আনিস আলমগীরের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে। মামলায় অভিযোগ আনা হয় ৩ কোটি ২৬ লাখ ৪৮ হাজার ৯৩৮ টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের। ২৫ জানুয়ারি আদালত গ্রেফতারের আবেদন মঞ্জুর করে এবং পরে ওই মামলাতেও জামিন পান আনিস আলমগীর।