৪ এপ্রিল প্রতিষ্ঠানটি এমন ঘোষণা দিয়েছে দর্শকদের প্রতি। জানানো হয়েছে, তাদের এই সিদ্ধান্ত জারি থাকবে অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য। এরমধ্যে অগ্রিম টিকিট যারা সংগ্রহ করেছেন, তাদের টাকা ফেরত দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছে ব্লকবাস্টার কর্তৃপক্ষ।
প্রেক্ষাগৃহের প্রাইম টাইম ধরা হয় সন্ধ্যা ৬টার পরের শোগুলোকে। সেটাই এখন বন্ধ হলো। কারণ হিসেবে কর্তৃপক্ষ জানালো, সরকারি সিদ্ধান্তের কথা।
প্রতিষ্ঠানটির বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সরকারের সাম্প্রতিক জরুরি নির্দেশনা অনুযায়ী আগামী রবিবার, ৫ এপ্রিল থেকে পরবর্তী নির্দেশনা না আসা পর্যন্ত, প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬টার পর সকল দোকান আর মার্কেট বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত কার্যকর হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
আরও জানানো হয়, রবিবার থেকে সন্ধ্যা ৬টার পর সংশ্লিষ্ট শোগুলোর জন্য যারা অগ্রিম টিকিট ক্রয় করেছেন, তাদের সকলকে নির্ধারিত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে রিফান্ড প্রদান করা হবে।
এদিকে ব্লকবাস্টারের এমন সিদ্ধান্তের পর আতংক ছড়িয়েছে দেশের সবচেয়ে বড় মাল্টিপ্লেক্স চেইন স্টার সিনেপ্লেক্সমুখি দর্শকমনেও। কারণ, সিংহভাগ সিনেমার দর্শক সন্ধ্যার পরেই প্রেক্ষাগৃহে ঢুকতে চান।
প্রতিষ্ঠানটির জ্যেষ্ঠ বিপণন কর্তা মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমরা সরকারি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত আছি। সেটি নিয়ে পর্যালোচনা করছি। তবে আপাতত ৫ ও ৬ এপ্রিল সন্ধ্যা ৬টার পরের সকল শো আমরা স্থগিত করেছি। এর পরের সিদ্ধান্তগুলো আমরা ধারাবাহিকভাবে ওয়েবসাইটের মাধ্যমে জানাবো।’
এই কর্মকর্তা আরও জানান, এই দুই দিনের শোয়ের টিকিট অগ্রিম বিক্রি করেনি প্রতিষ্ঠানটি। ফলে রিফান্ড জটিলতা থেকে মুক্ত থাকছে দর্শকরা।
এদিকে স্টার সিনেপ্লেক্স ও ব্লকবাস্টারের পথে দেশের অন্য প্রেক্ষাগৃহগুলোও হাঁটছে বলে জানা গেছে। যা সিনেমার চলমান বাজারে নতুন ধাক্কা বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।