আজ সোমবার (১৮ মে) তাদের মরদেহ শনাক্ত করেন ফিনল্যান্ড ও মালদ্বীপের অত্যন্ত প্রশিক্ষিত ডুবুরিরা।
গত বৃহস্পতিবার সেখানে স্কুভা ডাইভিং করতে গিয়েছিলেন মোট পাঁচ ইতালীয় পর্যটক। এরমধ্যে একজনের মরদেহ সঙ্গে সঙ্গে উদ্ধার করা হয়। বাকি চারজন নিখোঁজ ছিলেন।
নিখোঁজদের খুঁজতে গিয়ে মালদ্বীপের সেনাবাহিনীর এক ডুবুরি গত শনিবার প্রাণ হারান। এরপর উদ্ধার অভিযান স্থগিত করে দেওয়া হয়।
মালদ্বীপ সরকারের মুখপাত্র মোহাম্মদ হোসেনই শরীফ বিবিসিকে বলেছেন, “মরদেহগুলো উদ্ধার করতে আরও অভিযান চালানো হবে।”
কাল মঙ্গলবার দুটি মরদেহ আর বুধবার বাকি দুটি মরদেহ উদ্ধার করে আনা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
ইতালির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সমুদের নিচের ওই গুহাটির তৃতীয় সেকশনে মরদেহগুলো শনাক্ত করা হয়। যা গুহার প্রবেশদ্বার থেকে সবচেয়ে দূরে অবস্থিত।
ধারণা করা হচ্ছে গত মঙ্গলবার প্রথম যে পর্যটকের মরদেহ উদ্ধার করে নিয়ে আসা হয় তার দেহটি গুহার প্রবেশদ্বারে পাওয়া যায়।
বিবিসি জানিয়েছে, নিহত পাঁচ ইতালীয় পর্যটকের মধ্যে চারজন জেনোয়া বিশ্ববিদ্যালয় দলের ছিলেন। তারা হলেন প্রফেসর মনিকা মন্তেফেলকন, তার মেয়ে জর্জিয়া সোম্মাকাল এবং গবেষক মুরিয়েল ওদ্দেনিনো ও ফেদ্রিকো গুয়ালতেইরি।
আর অন্যজন হলেন বোট অপারেশন ম্যানেজার এবং ডাইভিং ইন্সট্রাক্টর জিয়ানলুকা বেনেদেত্তি।
বৃহস্পতিবার সকালে গুহাটির কাছের পানির নিচে প্রবেশ করেন তারা। কিন্তু আর কেউই উপরে ওঠে আসেননি। এরপর তাদের খোঁজা শুরু হয়।
যে সময় দুর্ঘটনা ঘটে তখন সমুদ্র বেশ উত্তাল ছিল। সেখানে ওই সময় হলুদ সতর্কতা জারি ছিল।
মালদ্বীপ সরকার জানিয়েছে, প্রবাল প্রাচীর ও গভীর সমুদ্রে ডুব দেওয়ার বিষয়ে হাতেকলমে শিখতে তারা সেখানে গিয়েছিলেন। এগুলোর জন্য তাদের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তারা সমুদ্রের নিচের গুহার নিচে যে প্রবেশ করবেন সেটি কেউ জানত না। কারণ এ ব্যাপারে তারা কোনো অনুমতিও নেননি।