সোমবার (১৬ মার্চ) বিকেলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আগামী বছর থেকে স্কুল ভর্তিতে আর লটারি পদ্ধতি থাকবে না। খুবই সাধারণ উপায়ে পরীক্ষা নেওয়া হবে এবং এতে অতিরিক্ত প্রতিযোগিতার পরিবেশ তৈরি করা হবে না।
তিনি বলেন, “লটারি কোনো শিক্ষাব্যবস্থায় থাকতে পারে না। দীর্ঘদিন ধরে গবেষণা ও বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতেও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত থাকবে।”
মন্ত্রী আরও জানান, একদিন আগে সংসদে তিনি বলেছিলেন যে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে ভর্তির চূড়ান্ত পদ্ধতি নির্ধারণ করা হবে এবং সেই প্রক্রিয়াই বহাল থাকবে।
তিনি বলেন, “শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তিতে লটারি অনেকটা জুয়ার মতো। ভর্তির ক্ষেত্রে এমন ব্যবস্থা গ্রহণযোগ্য নয়। আবার ভর্তি পরীক্ষা ঘিরে কেউ কোচিং বাণিজ্য করতে চাইলে সরকার বসে থাকবে না। প্রয়োজন হলে সরকার নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করবে।”
এ সময় সংবাদ সম্মেলনে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যানের নাম ঘোষণার পাশাপাশি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্যদের নামও ঘোষণা করেন শিক্ষামন্ত্রী।