সিসিক এলাকায় মোট ৬৮ হাজার ৫৪০ জন শিশুকে এই টিকার আওতায় আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। রোববার (১৯ এপ্রিল) নগরভবনে সাংবাদিক ও ধর্মীয় নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এ তথ্য জানানো হয়।
সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, সোমবার থেকে সারা দেশের মতো সিসিক এলাকায়ও এই ক্যাম্পেইন শুরু হবে। তিনি জানান, অগ্রগামী সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও জনপ্রতিনিধিরা।
তিনি আরও বলেন, জনবল সংকট থাকা সত্ত্বেও আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে মাসব্যাপী এই ক্যাম্পেইন পরিচালনা করা হবে। এ সময় তিনি গণমাধ্যম ও ধর্মীয় নেতাদের সহযোগিতা কামনা করেন।
সিসিকের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. জাহিদুল ইসলাম জানান, ক্যাম্পেইনের প্রথম ধাপে ওয়ার্ড পর্যায়ে এবং পরবর্তীতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে টিকা দেওয়া হবে। প্রতিদিন ৮৪টি টিম কাজ করবে, প্রতিটি টিমে ভ্যাকসিনেটর ও স্বেচ্ছাসেবী থাকবেন।
তিনি বলেন, পূর্বের টিকাদান কার্যক্রমে কিছুটা ব্যাঘাত ঘটায় হাম রোগের ঝুঁকি বেড়েছিল। অনেক শিশু আক্রান্ত হয়েছে এবং কিছু মৃত্যুও ঘটেছে। তবে এখন পরিস্থিতি উন্নতির দিকে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধি জানান, সিলেটে হামের প্রকোপ আগের তুলনায় অনেক কমে এসেছে। তবে এখনো কিছু ঝুঁকি রয়ে গেছে বলে তিনি সতর্ক করেন।
সিসিক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নিয়মিত টিকাদান কেন্দ্রে পাশাপাশি স্থায়ী স্বাস্থ্যকেন্দ্রেও এই টিকা দেওয়া হবে। অসুস্থ বা জ্বরে আক্রান্ত শিশুদের টিকা দেওয়া হবে না। একই সঙ্গে অভিভাবকদের গুজবে কান না দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।