মঙ্গলবার (১৯ মে) নিজ দপ্তরে বগুড়া সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক এম আর ইসলাম স্বাধীনের আনুষ্ঠানিক যোগদান অনুষ্ঠানের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।
সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ইতোমধ্যে সংসদে সিটি কর্পোরেশন (সংশোধন) আইন-২০২৬ পাস হয়েছে। নতুন আইনে দলীয় প্রতীকের পরিবর্তে সাধারণ প্রতীকে মেয়র ও কাউন্সিলর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
নির্বাচনের সম্ভাব্য সময় সম্পর্কে তিনি বলেন, বাংলাদেশে নির্বাচন সাধারণত উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়। তাই বর্ষা শেষে শুষ্ক মৌসুমে নির্বাচন আয়োজনের সম্ভাবনাই বেশি। তবে কোন নির্বাচন দিয়ে কার্যক্রম শুরু হবে, সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।
তিনি জানান, নির্বাচন আয়োজনের ব্যয়, নির্বাচন কমিশনের প্রস্তুতি এবং অর্থ বিভাগের সক্ষমতা বিবেচনায় নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এ জন্য প্রথমে বাজেট পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হবে।
ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন প্রসঙ্গে মীর শাহে আলম বলেন, দেশের প্রায় সাড়ে চার হাজার ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন আয়োজন একটি বড় কর্মযজ্ঞ। বিপুলসংখ্যক ব্যালট পেপার ছাপানোসহ নানা প্রস্তুতির কারণে শুধু ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনেই প্রায় ৫০০ থেকে ৬০০ কোটি টাকা ব্যয় হতে পারে।
তিনি আরও জানান, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের জন্য আগামী বাজেটে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ রাখতে নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। কমিশনের ব্যয়ের হিসাব পাওয়ার পর অর্থ বিভাগ, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় ও নির্বাচন কমিশন যৌথভাবে নির্বাচনের সময়সূচি চূড়ান্ত করবে।
বগুড়া সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন সম্পর্কে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এর তফসিল অন্যান্য ১২টি সিটি কর্পোরেশনের সঙ্গে একযোগে ঘোষণা করা হবে।
এছাড়া নতুন সিটি কর্পোরেশনগুলোর কার্যক্রম গতিশীল করতে চলতি অর্থবছরে প্রাথমিকভাবে ৩০ থেকে ৩৫ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানান তিনি। বগুড়া সিটি কর্পোরেশনও দ্রুত এ বরাদ্দ পাবে বলে আশা প্রকাশ করেন।
স্থানীয় নির্বাচন নিয়ে বিএনপির প্রস্তুতি প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে মীর শাহে আলম বলেন, যেহেতু নির্বাচন দলীয় প্রতীকে হবে না, তাই প্রার্থীরা নিরপেক্ষভাবে অংশ নেবেন। তিনি উল্লেখ করেন, বিএনপি একটি বড় রাজনৈতিক দল এবং অন্যান্য রাজনৈতিক কার্যক্রমের পাশাপাশি তাদের নির্বাচনী প্রস্তুতিও চলমান থাকে।