জেলা প্রশাসক জানান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী ইউনিয়ন দুটির নাম পরিবর্তনের প্রয়োজনীয় কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। নতুন নাম নির্ধারণের ক্ষেত্রে স্থানীয় জনগণের মতামত, এলাকার ইতিহাস-ঐতিহ্য এবং ভৌগোলিক পরিচিতিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে। এজন্য পুনরায় গণশুনানির আয়োজন করা হবে বলে তিনি জানান।
জেলা প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গণশুনানি ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর নতুন নাম চূড়ান্ত করে সরকারি গেজেট প্রকাশ করা হবে।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি নবগঠিত ‘সীমান্ত’ ও ‘দিগন্ত’ ইউনিয়নের নাম নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়। কারণ, নাম দুটি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এমপির দুই সন্তানের নামের সঙ্গে আংশিক সাদৃশ্যপূর্ণ বলে দাবি ওঠে। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন পরিসরে নানা ধরনের ব্যাখ্যা ও বিতর্ক ছড়িয়ে পড়ে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, বিষয়টি নিয়ে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম নিজেও বিব্রতবোধ করেন। ইউনিয়নের নামকরণকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের ভুল ব্যাখ্যা, বিভ্রান্তি কিংবা অপপ্রচারের সুযোগ না রাখতে তিনি নিজেও জেলা প্রশাসকের কাছে নাম পরিবর্তনের অনুরোধ জানান।
স্থানীয়দের মতে, নতুন নাম নির্ধারণের ক্ষেত্রে যদি এলাকার ইতিহাস, সংস্কৃতি ও ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্যকে প্রাধান্য দেওয়া হয়, তাহলে তা স্থানীয় জনগণের গ্রহণযোগ্যতা আরও বৃদ্ধি করবে। ফলে নামকরণ নিয়ে চলমান বিতর্কেরও অবসান ঘটবে বলে তারা মনে করছেন।
মোকামতলার প্রশাসনিক পুনর্গঠনের এই অধ্যায়ে ইউনিয়ন দুটির নতুন নাম কী হয়, সে দিকেই এখন সবার নজর।