রোববার সকাল ৯টার দিকে উপজেলার মহিষাবান ইউনিয়নের নিশিন্দারা আকন্দপাড়া গ্রামের সালমারা বিলের চরে শ্যালো মেশিনের ঘরের পাশ থেকে তাঁর লাশ উদ্ধার করা হয়।
নিহত আব্দুল লতিফ আকন্দ স্থানীয়ভাবে পরিচিত একজন কৃষক। তিনি নিয়মিত নিজের জমিতে সেচ দেওয়ার জন্য বিলের চরে থাকা শ্যালো মেশিনের ঘরেই রাত কাটাতেন। শনিবার রাতেও তিনি সেচের কাজেই সেখানে অবস্থান করছিলেন।
স্থানীয়দের ধারণা, রাতের কোনো এক সময় দুর্বৃত্তরা তাঁকে হত্যা করে পালিয়ে যায়। রোববার সকালে স্থানীয় লোকজন তাঁর লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন।
নিহতের ভাতিজা সোহেল জানান, সকাল ৮টার দিকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁরা দেখেন, ধানের ক্ষেতের মধ্যে লাশটি উলঙ্গ অবস্থায় পড়ে আছে। শ্যালো মেশিনের ঘরটি ভাঙা ছিল, যা দেখে ধস্তাধস্তির আলামত থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
গাবতলী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাকিব হাসান বলেন, নিহতের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তিনি বলেন, “কে বা কারা এবং কী কারণে এ ঘটনা ঘটিয়েছে, তা উদঘাটনে পুলিশের একাধিক দল কাজ করছে।”
ঘটনার পর স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। রাতের বেলা ফসলের মাঠে কাজ করা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। হত্যাকাণ্ডটি পূর্বপরিকল্পিত নাকি ব্যক্তিগত বা জমিজনিত বিরোধের জের—তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
একজন কৃষকের এভাবে মৃত্যুতে পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ঘটনাটির রহস্য উদঘাটনের অপেক্ষায় রয়েছে পরিবার ও স্থানীয়রা।