শনিবার (১৬ মে) বিকেলে মাগুরার শালিখা উপজেলা পরিষদে কৃষি বিভাগের আয়োজনে তিন দিনব্যাপী কৃষি প্রযুক্তি প্রদর্শনী মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সংস্কৃতিমন্ত্রী বলেন, গত ১৭ বছর ছিল একটি অন্ধকার সময়। তখন যে যত বেশি চুরি করতে পারত, সে তত বেশি পুরস্কৃত হতো। একটি দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে ধ্বংস করা গেলে পুরো দেশকেই ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেওয়া হয়। আমাদের সন্তানদের পাঠাভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। এজন্য শালিখায় প্রয়োজনীয় সংখ্যক পাঠাগার স্থাপন করতে হবে, যেখানে জ্ঞানচর্চার পাশাপাশি সংস্কৃতিচর্চাও হবে।
কৃষির গুরুত্ব তুলে ধরে সংস্কৃতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের প্রায় ৮০ শতাংশ জমিতে কৃষিকাজ হয়। কৃষির উন্নয়নে গভীর মনোযোগ দিলে দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন সম্ভব। এজন্য নদী রক্ষা অত্যন্ত জরুরি। নদী ও মানুষের জীবন একসূত্রে গাঁথা।
লোকসংস্কৃতির প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, একসময় বাউল গান, কবিগান, লালন শাহ ও হাছন রাজার গান গ্রাম-বাংলায় ব্যাপকভাবে চর্চা হতো। এখন সেগুলো হারিয়ে যেতে বসেছে। আমরা চাই সেই ঐতিহ্যবাহী গানগুলো আবার ফিরে আসুক।
শালিখা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানভীর হাসান চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতিমন্ত্রীর একান্ত সচিব আল মারুফ, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আবুল হাসনাত, সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাব্বির হাসান, শালিখা উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মুন্সী মনিরুজ্জামান চকলেট, শালিখা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশিকুর রহমান ও উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা নাসিমা খাতুনসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা এবং বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।
অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন উপজেলা উপসহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা মৃনাল কান্তি দাশ।
এর আগে অনুষ্ঠানের শুরুতে উপজেলার ১০ জন প্রতিবন্ধীর মাঝে হুইলচেয়ার বিতরণ করা হয়। পরে অতিথিরা কৃষি প্রযুক্তি মেলার বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন।