তবে রাতে দই খাওয়ার ক্ষেত্রে কিছু বিষয় খেয়াল রাখতে হবে:
ঠান্ডা সংবেদনশীলতা: যারা ঠান্ডা বা সর্দি-কাশির প্রবণ, তারা রাতে দই খেলে অস্বস্তি অনুভব করতে পারেন।
হজম ও ল্যাকটোজ সমস্যা: বেশি দই খেলে পেট ভারি বা গ্যাসের সমস্যা হতে পারে, বিশেষ করে ল্যাকটোজ ইনটলারেন্টদের ক্ষেত্রে।
ডায়াবেটিস রোগীরা: রাতে মিষ্টি দই এড়িয়ে টক বা চিনি ছাড়া দই খাওয়া উত্তম।
পরামর্শ:
ফ্রিজের দই একটু স্বাভাবিক তাপমাত্রায় এনে খাওয়া।
পরিমিত পরিমাণে খাওয়া।
খুব দেরি করে না খাওয়া।
সংক্ষেপে, রাতে দই খাওয়া পুরোপুরি ক্ষতিকর নয়; নিজের শরীরের প্রতিক্রিয়া অনুযায়ী ও পরিমিতভাবে খেলে হজম ভালো থাকে এবং স্বস্তি পাওয়া যায়।
সূত্র: হার্ভার্ড হেলথ পাবলিশিং, মায়ো ক্লিনিক, ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব হেলথ