মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী, নির্ধারিত এসব স্টেশনে জ্বালানি নিতে হলে ব্যবহারকারীদের ‘ফুয়েল পাশ’ অ্যাপের মাধ্যমে কিউআর কোড স্ক্যান করে লেনদেন সম্পন্ন করতে হবে। এতে প্রতিটি বিক্রির তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে কেন্দ্রীয় সিস্টেমে সংরক্ষিত হবে।
যেসব ফিলিং স্টেশনে এই অ্যাপ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে, সেগুলো হলো— করিম এন্ড সন্স (শাপলা চত্বর), ইউরেকা এন্টারপ্রাইজ (মহাখালী), মাসুদ হাসান ফিলিং স্টেশন (এয়ারপোর্ট, উত্তরা), মেসার্স সততা এন্ড কোম্পানী (তেজগাঁও শিল্প এলাকা), মেসার্স দিপ্ত ফিলিং স্টেশন (মিরপুর ইব্রাহিমপুর), মেসার্স কামাল ট্রেডিং এজেন্সী (শহিদ তাজউদ্দিন আহম্মেদ স্মরণী), মেসার্স এস.পি. ফিলিং স্টেশন লিমিটেড (গাবতলী), সিটি ফিলিং স্টেশন (তেজগাঁও), সেবা গ্রীন ফিলিং স্টেশন (উত্তরা), স্যাম এসোসিয়েটস (মিরপুর-০২) এবং সুমাত্রা ফিলিং স্টেশন (কালশী রোড, মিরপুর)।
প্রাথমিকভাবে পরীক্ষামূলকভাবে এ ব্যবস্থা চালু করা হলেও পর্যায়ক্রমে দেশের অন্যান্য ফিলিং স্টেশনেও এটি সম্প্রসারণ করা হতে পারে বলে জানা গেছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই উদ্যোগ জ্বালানি খাতে অনিয়ম কমাতে এবং ডিজিটাল ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।