অ্যামটবের তথ্য অনুযায়ী, দেশের মোবাইল বেজ ট্রান্সসিভার স্টেশনগুলো সচল রাখতে তিনটি অপারেটর কোম্পানির প্রতিদিন প্রয়োজন হচ্ছে প্রায় ৫২ হাজার ৪২৫ লিটার ডিজেল এবং ১৯ হাজার ৮৫৯ লিটার অকটেন। দীর্ঘ সময় ধরে চলমান লোডশেডিংয়ের কারণে মোবাইল অপারেটররা এখন বাধ্য হয়ে ডিজেলচালিত জেনারেটরের মাধ্যমে বেজ স্টেশন ও ডেটা সেন্টার সচল রাখছে।
সংগঠনটি জানিয়েছে, শুধু একটি ডেটা সেন্টার চালু রাখতে জেনারেটর প্রতি ঘণ্টায় প্রায় ৫০০ থেকে ৬০০ লিটার ডিজেল ব্যবহার করছে। ফলে লোডশেডিং পরিস্থিতিতে একটি ডেটা সেন্টার দিনে প্রায় ৪ হাজার লিটার পর্যন্ত ডিজেল খরচ করছে।
অন্যদিকে স্থানীয় জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা এই পরিমাণ চাহিদা পূরণে সক্ষম নয় বলে জানিয়েছে অ্যামটব। তারা পরিস্থিতিকে “গুরুতর” ও “ক্রমবর্ধমান সংকট” হিসেবে উল্লেখ করেছে।
সংকট আরও গভীর হলে দেশের মোবাইল নেটওয়ার্ক ও ডিজিটাল সেবা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।