চায়ের দোকানে বসে থাকা অবস্থায় একদল দুর্বৃত্ত হামলা চালিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে আহত করে। পরে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে মুমূর্ষু অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের ছোট ভাই আব্দুল হাশেম জানান, তাদের বাড়ি মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার কুতুবপুর গ্রামে। বাবার নাম আব্দুল মালেক। বর্তমানে তারা পূর্ব জুরাইনের দারোগাবাড়ী রোড এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন। আব্দুল কুদ্দুস ছিলেন পেশায় বাসচালক।
তিনি জানান, বৃহস্পতিবার রাত আনুমানিক পৌনে ১২টার দিকে জুরাইন পপি স্কুলের সামনে একটি চায়ের দোকানে বসে চা পান করছিলেন কুদ্দুস। তখন এলাকায় বিদ্যুৎ ছিল না। এ সময় ৮ থেকে ১০ জন দুর্বৃত্ত চায়ের দোকানে ঢুকে প্রথমে ফাঁকা গুলি ছোড়ে। পরে তারা ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুদ্দুসকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ঘটনাস্থলে ফেলে রেখে যায়।
খবর পেয়ে স্বজন ও স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
আব্দুল হাশেম বলেন, কুদ্দুসের শরীরে ধারালো অস্ত্রের অন্তত ১২০টি জখম রয়েছে। তাকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। তবে কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে, তা তারা বলতে পারছেন না।
এদিকে কদমতলী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. সোহেল রানা জানান, টাকা-পয়সার লেনদেনকে কেন্দ্র করে পূর্বশত্রুতার জেরে বৃহস্পতিবার রাতে চায়ের দোকানে ঢুকে কুদ্দুসকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে।
তিনি জানান, নিহতের শরীরে অসংখ্য আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এ ঘটনায় একটি হত্যা মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। ঘাতকদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।