শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সন্ধ্যায় মানিকগঞ্জের মুন্নু ক্যাফেটেরিয়া মিলনায়তনে জেলা চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট ও কস্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টদের পক্ষ থেকে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
আফরোজা খানম বলেন, আমি যখন মন্ত্রণালয়ে ঢুকলাম, প্রত্যেকটি সেক্টরে গিয়ে দেখলাম সেখানে বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে। এটা কোনো লসের প্রজেক্ট নয়। আমরা যদি সততার সঙ্গে কাজ করি, তাহলে বিমান বাংলাদেশের পাশাপাশি পৃথিবীর বুকেও নাম ছড়াবে। আমার চেষ্টা সেখানেই।
তিনি বলেন, আমি সারাজীবন মন্ত্রণালয়ে থাকব না। তবে আমি চেষ্টা করছি, যাতে সবাই বলতে পারে—আপা এসেছিলেন, আপা পরিবর্তনের শুরুটা করে দিয়েছেন। এই কথাটা শুনতে পারলেও আমার ভালো লাগবে।
অনুষ্ঠান আয়োজনের সমন্বয়ে ছিলেন নাভানা লিমিটেডের প্রধান হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা জাহিদুল হক।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বর্তমানে পর্যটন খাত দেশের অন্যতম সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র। বৈশ্বিক ও দেশীয় অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা এবং সরকারের রূপকল্প বাস্তবায়নে এই মন্ত্রণালয়ের অবদান অপরিসীম। একজন গতিশীল নেতা হিসেবে মন্ত্রী আফরোজা খানম প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণ এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের পর্যটনশিল্পকে কার্যকরভাবে তুলে ধরতে সক্ষম হবেন।
অনুষ্ঠানে মানিকগঞ্জ থেকে উঠে আসা দেশের বিভিন্ন শীর্ষস্থানীয় জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানে কর্মরত সিএ ও সিএমএরা অংশ নেন। অনুষ্ঠানে মন্ত্রীকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়। একই সঙ্গে দেশের অর্থনীতি ও পর্যটন খাতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখার প্রত্যাশায় তাকে অভিনন্দন ও কৃতজ্ঞতা জানান পেশাজীবীরা।
অনুষ্ঠান শেষে মন্ত্রী ও মানিকগঞ্জের অ্যাকাউন্ট্যান্টদের মধ্যে স্মারক ক্রেস্ট বিনিময় করা হয়। পরে নৈশভোজের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।