পার্ক দ্য প্রিন্সেসে জয় নিশ্চিতের পথে পিএসজির পক্ষে একটি করে গোল করেছেন দেজিরে দুয়ে ও খিচা কাভারৎস্খেলিয়া। ৭৪ শতাংশ বলের পজেশনের পাশাপাশি গোলের জন্য ১৮টি শট নেয় লুইস এনরিকের শিষ্যরা। এর মধ্যে ৬টি লক্ষ্যে ছিল। এর বাইরে পিএসজি অসংখ্য সুযোগ হাতছাড়া করেছে। বিপরীতে তেমন চ্যালেঞ্জ জানাতে পারেনি লিভারপুল। সফরকারীরা ৩টি শট নিলেও লক্ষ্যে ছিল না একটিও। লিভারপুলের মাঠ অ্যানফিল্ডে আগামী মঙ্গলবার ফিরতি লেগ হবে।
খেলার শুরু থেকেই অলরেডদের চেপে ধরে পিএসজি। শুরু থেকেই তারা আক্রমণ চালিয়ে যাচ্ছিল। যার সুবাদে ১১ মিনিটেই লিড পায় এনরিকের দল। উসমান দেম্বেলে কয়েকজনের মাঝখান দিয়ে যাওয়ার চেষ্টায় বল হারালেও, সুযোগ পেয়ে উঁচু শটে দুয়ে সেটি জালে জড়ান। ৩০ মিনিটের পর কাভারৎস্খেলিয়া এবং দুয়ের একাধিক চেষ্টা ব্যর্থ করেন লিভারপুল গোলরক্ষক জিওরজি মামারদাশভিলি। দেম্বেলে লিড দ্বিগুণ করার জন্য ফাঁকায় ভালো সুযোগ পেলেও গোলরক্ষকর বরাবর শট নেন দেম্বেলে।
লিভারপুল গোলের জন্য প্রথম শট নেয় বিরতির পর নেমেই। অবশ্য হুগো একিতিকে সেই শট লক্ষ্যে রাখতে পারেননি। খানিক বাদে দেম্বেলে পেনাল্টি স্পটের কাছে ফাঁকায় বল পেয়ে আবারও হতাশ করেছেন স্বাগতিক দর্শকদের। তার জোরালো শটে গেছে ক্রসবারের ওপর দিয়ে। ৬৫ মিনিটে জোয়াও নেভেসের রক্ষণচেরা পাস পেয়ে কাভারৎস্খেলিয়া একজন ডিফেন্ডার ও গোলরক্ষককে কাটিয়ে দারুণ এক গোলে লিড দ্বিগুণ করেন।
ইব্রাহিমা কোনাতে ওয়ারেন জাইরে-এমেরিকে না থামালে আরেকবার বিপদে পড়তে যাচ্ছিল লিভারপুল। প্রথমে অবশ্য রেফারি পেনাল্টিও দিয়েছিলেন, তবে ভিএআর মনিটর দেখে তিনি সিদ্ধান্ত পাল্টান। বাকি সময়ে আরও কয়েকটি সুযোগ তৈরি করে পিএসজি। তবে দেম্বেলে ও জাইরে-এমেরিরা প্রচেষ্টা ব্যর্থ হলে স্কোরলাইনে কোনো পরিবর্তন আসেনি।
অলরেডরা এ নিয়ে সবমিলিয়ে টানা তিন ম্যাচে হারের স্বাদ পেল। গত শনিবার এফএ কাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ম্যানচেস্টার সিটির বিপক্ষে ৪-০ গোলে বিধ্বস্ত হওয়ার আগে প্রিমিয়ার লিগে সবশেষ ম্যাচে ব্রাইটনের মাঠে ২-১ গোলে হেরেছিল তারা।