ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, গোয়ালন্দ ও আরিচা স্টেশনের দুটি ইউনিট ইতোমধ্যে উদ্ধারকাজে নিয়োজিত রয়েছে। পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনায় ঢাকা ও ফরিদপুর থেকেও অতিরিক্ত ডুবুরি দল ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওয়ানা হয়েছে। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, দুর্ঘটনার প্রায় এক ঘণ্টা পর উদ্ধারকারী জাহাজ ও ডুবুরি দল পৌঁছানোয় অভিযান শুরু হতে বিলম্ব হয়েছে।
দুর্ঘটনায় বাসের ৫ থেকে ৭ জন যাত্রী সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হলেও এখনও প্রায় ৪৫ জন নিখোঁজ রয়েছেন। জীবিত উদ্ধার হওয়া যাত্রী আব্দুল আজিজুল জানান, তিনি জানালা দিয়ে বের হয়ে বাঁচতে পারলেও তার স্ত্রী ও শিশু সন্তান বাসের ভেতরেই আটকা পড়েন এবং এখনো তাদের কোনো খোঁজ মেলেনি।
রাজবাড়ী ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক দেওয়ান সোহেল রানা বলেন, নদীর গভীরতা, অন্ধকার ও তীব্র স্রোতের কারণে উদ্ধারকাজ কিছুটা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। তবে বাসটির অবস্থান শনাক্ত হওয়ায় এখন দ্রুত সেটি উদ্ধার করে ভেতরে আটকে পড়া যাত্রীদের বের করে আনার চেষ্টা চলছে।