নিহত মতিউর রহমান উপজেলার সুঘাট ইউনিয়নের শরিফ সুঘাট গ্রামের বাসিন্দা।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, তাঁর ভাতিজি মোমেনা খাতুন স্থানীয় বাসিন্দা বেলাল হোসেনকে ৭৫ হাজার টাকা ধার দেন। বিনিময়ে বেলাল জমি লিখে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেও দীর্ঘদিন ধরে টাকা বা জমি—কোনোটিই ফেরত দেননি। গত ২১ মার্চ পাওনা টাকা চাইতে গেলে বেলালের বাড়িতে মতিউর রহমানের সঙ্গে কথাকাটাকাটি হয়।
এর জের ধরে ২২ মার্চ বেলা ১১টার দিকে প্রতিপক্ষের লোকজন মতিউর রহমানের ওপর হামলা চালায়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। স্বজনরা তাঁকে প্রথমে শেরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।
চিকিৎসা শেষে বাড়িতে নেওয়ার পর তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। পরে গত ২৮ মার্চ আবার হাসপাতালে নেওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় নিহতের ছেলে মো. শফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে বেলাল হোসেনসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে শেরপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। মামলার অন্য আসামিরা হলেন খোদা বক্স, রুবেল, শাহাদৎ হোসেন, জাফর আলী, মিল্লাত হোসেন, জাহিদ, স্বপন, নুর আলম, মোস্তফা, জাহেদা বেগম ও বেলি বেগম।
তদন্তকারী কর্মকর্তা খোকন জানান, আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান চলছে।
শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম মঈনুদ্দিন বলেন, নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।
ঘটনার পর স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। সামান্য আর্থিক বিরোধ কীভাবে সহিংসতায় রূপ নিতে পারে, এ ঘটনা তারই একটি উদাহরণ বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।