ফিনান্সিয়াল টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তেলের দাম দ্রুত বৃদ্ধি এবং ইরানের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতায় বিস্মিত হয়ে গত ২১ মার্চ থেকেই যুদ্ধবিরতির পথ খুঁজছিল ট্রাম্প প্রশাসন। এর আগেই ট্রাম্প ইরান তার শর্ত না মানলে ‘পুরো সভ্যতা ধ্বংস’ করার হুমকিও দেন।
যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব ইরানের কাছে পৌঁছাতে যুক্তরাষ্ট্র মিত্রদেশ পাকিস্তানকে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা নিতে চাপ দেয়। মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ প্রতিবেশী রাষ্ট্র হিসেবে পাকিস্তানের মাধ্যমে প্রস্তাব পাঠালে ইরান তা সহজে গ্রহণ করবে—এমনটাই ধারণা ছিল ওয়াশিংটনের।
পরে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনির এবং ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির আলোচনার পর দেশটির প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ সামাজিক মাধ্যমে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রকাশ করেন। যদিও পোস্টে ভুলবশত ‘ড্রাফট’ শব্দটি থেকে যাওয়ায় নেটিজেনদের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয় এবং এতে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
উল্লেখ্য, এর আগে মধ্যপ্রাচ্যে কাতার, কুয়েত, ওমানের মতো দেশগুলো এ ধরনের সংঘাতে মধ্যস্থতা করলেও এবার ইরানের হামলার কারণে সেই পথ সংকুচিত হয়ে পড়ে। পরে তুরস্ক, মিশর এবং পাকিস্তানের ওপরই এই দায়িত্ব বর্তায়, যার মধ্যে পাকিস্তানই শেষ পর্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রাখে।