স্লেজিং, শরীরী ভাষা নিয়ে ক্রিকবাজকে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত বলেছেন, ‘তাদেরও তো (আমাদের ভাষা) বুঝতে হবে, তাই না? (হাসি)। আমার মনে হয়, যখন মুশফিক ভাইয়ের মতো একজন অভিজ্ঞ ক্রিকেটার যখন ড্রেসিংরুমে থাকেন, তখন মাঠে যে লড়াইগুলো আসে, সেই পরিস্থিতিগুলো কীভাবে সামলাতে হয়, চাপের মুহূর্তে কীভাবে শান্ত থাকতে হয় -এসব আমরা তাকে দেখে অনেক শিখেছি, এখনও শিখছি।'
'আমাদের দলে এখন এমন অভিজ্ঞ খেলোয়াড় আছে, যারা জানে এই ধরনের মুহূর্তগুলো কীভাবে সামলাতে হয়। এই মুহূর্তে সবচেয়ে ইতিবাচক ব্যাপার হলো, বিশেষ করে বোলিংয়ে আমাদের এমন রিসোর্স আছে, যেটা দিয়ে যেকোনো পরিস্থিতিতে, যেকোনো কন্ডিশনে প্রতিপক্ষকে চাপে ফেলা যায়। তাই যখন আপনার এমন বোলিং আক্রমণ এবং মাঠে অভিজ্ঞ খেলোয়াড় থাকে, তখন স্বাভাবিকভাবেই আপনি প্রতিপক্ষকে টাফ টাইম দেবেন - সেটা স্লেজিং, বোলিং বা ব্যাটিং যেকোনো দিক থেকেই হোক।’-যোগ করেন তিনি।
শান্ত আরও বলেছেন, ‘আমি বলব এই মানসিকতা ধীরে ধীরে গড়ে উঠছে এবং সেটাই হওয়া উচিত। দল জিততে থাকলে এই জিনিসগুলো আসবেই। খেলোয়াড়রা ব্যক্তিগতভাবে ভালো করলে আত্মবিশ্বাসও আপনাআপনি চলে আসে। যেহেতু আমি ফলাফল নিয়ে খুব বেশি চিন্তা করি না, খেলোয়াড়রাও জানে যে অধিনায়ক এসব নিয়ে অতিরিক্ত ভাবছে না। অধিনায়ক চায় তারা সাহস নিয়ে খেলুক, খোলা মনে পারফর্ম করুক। এই বার্তাটা সবার কাছেই পরিষ্কার।’
এমন আচরণ ক্রিকেটের অংশ এবং দলের জন্য প্রয়জোনীয় বলে মনে করেন শান্ত, ‘তাই সবাই এখন স্বাধীনভাবে খেলতে পারছে। যখন কাউকে চাপে ফেলার সময় আসছে, তারা সেটা করছে। আবার যখন মনে হচ্ছে কঠিন মুহূর্তে দায়িত্ব নিতে হবে, তখন সেটাও নেওয়ার চেষ্টা করছে। এসব কারণেই দলের বডি ল্যাঙ্গুয়েজ ধীরে ধীরে বদলাচ্ছে।’