দণ্ডপ্রাপ্ত মেরাজ আলী চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা থানার কালিয়া বাকরী এলাকার আমানুল্লাহ হকের ছেলে৷ ঘটনার সময় তিনি নড়াইলের ওই মাদ্রাসাটিতে শিক্ষকতা করতেন৷
মামলায় এজহার সূত্রে জানা গেছে, নড়াইল পৌরসভার রঘুনাথপুর এলাকার জামিয়া রহমানিয়া তাইছিরুল উলুম মাদরাসায় গত বছরের ১০ ও ১১ জুলাই রাতে ওই ছাত্রকে আসামি তার নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করেন। পরে তার মা বাবাকে না বলার জন্য ভয় ভীতি দেখান।
শিশুটি তার মাকে জানায়, দুই মাসে ওই শিক্ষক একাধিক বার তাকে ধর্ষণ করেছেন।বিষয়টি জানাজানি হলে মিরাজ পালিয়ে যান।পরে ১২ জুলাই স্থানীয় লোকজন মিরাজ আলীকে আটক করে পুলিশে দেয়। এঘটনায় শিশুটির মা বাদি হয়ে সদর থানায় মামলা করেন।
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) আজিবুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, শিশুটির মায়ের দায়ের করা মামলায় আসামি মিরাজ আলীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ৩ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন আদালত।