রোববার (২৯ মার্চ) সন্ধ্যায় এ নির্দেশনার বিষয়টি নিশ্চিত করেন বগুড়ার জেলা প্রশাসক মো. তৌফিকুর রহমান।
প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী, তেল নিতে হলে ড্রাইভিং লাইসেন্স থাকতে হবে। মোটরসাইকেলের ক্ষেত্রে হেলমেট বাধ্যতামূলক। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় গাড়ির কাগজপত্র প্রদর্শন করতে হবে। এসব শর্ত পূরণ না করলে কোনো গ্রাহককে জ্বালানি দেওয়া হবে না।
জেলা প্রশাসক জানান, সংকট মোকাবিলায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশের যৌথ উদ্যোগে বিভিন্ন স্থানে চেকপোস্ট বসানো হবে। প্রতিটি পাম্পে নির্দেশনামূলক ব্যানার টানানো হবে এবং সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে কঠোর নজরদারি চালানো হবে।
জানা গেছে, বগুড়া জেলায় মোট ৭৮টি পেট্রোল পাম্প রয়েছে। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় হঠাৎ করে সংকট তীব্র আকার ধারণ করে।
রাজশাহী বিভাগীয় পেট্রোলিয়াম ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের বগুড়া জেলা শাখার সভাপতি মিজানুর রহমান রতন বলেন, সংকটের শুরুতে মজুত শেষ হয়ে যাওয়ায় জেলার অর্ধেকের বেশি পাম্প সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে পড়ে। তবে বর্তমানে আবার তেল সরবরাহ শুরু হয়েছে এবং দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, এই বিধিনিষেধ একদিকে সংকট মোকাবিলায় সহায়ক হলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের কিছুটা ভোগান্তি বাড়াতে পারে। বিশেষ করে যারা নিয়মিত কাগজপত্র বহন করেন না, তাদের জন্য এটি নতুন চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে।
তবে প্রশাসনের বার্তা স্পষ্ট—নিয়ম মেনে চললেই মিলবে জ্বালানি।