বুধবার (২০ মে) সকালে দিকে শহরের কাচারি বাজারস্থ গাইবান্ধা প্রেসক্লাবের সামনে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ, জেলা শাখা এই বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করে।
এতে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের জেলা শাখার সভাপতি মাহফুজা খানম মিতা, সাধারণ সম্পাদক রিকতু প্রসাদ, সহ-সাধারণ সম্পাদক লায়লা নাছরিন কলি, লিগ্যাল এইড সম্পাদক নিয়াজ আক্তার ইয়াসমিন, সদস্য বিথী বেগম, তরুণ সদস্য বন্যা ইসলাম। সংহতি জানিয়ে বক্তব্য দেন সাংবাদিক-কবি রজতকান্তি বর্মন, আদিবাসী-বাঙালি নেতা গোলাম রব্বানী মুসা, সাংবাদিক উত্তম সরকার ও ময়নুল ইসলাম। সমাবেশে বক্তারা বলেন, নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি ক্রমবর্ধমান সহিংসতা, ধর্ষণ, যৌন হয়রানি, বাল্যবিবাহ, অনলাইন নিপীড়ন এবং সামাজিক অনাচারের৷ ঘটনা প্রতিদিনই ঘটছে। পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, কর্মক্ষেত্র কিংবা রাস্তাঘাট কোথাও নারীরা সম্পূর্ণ নিরাপদ নয়। এটি শুধু একজন নারীর সমস্যা নয়, এটি পুরো সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য লজ্জার বিষয়। কারণ, নারীর প্রতি সম্মান ছাড়া কোনো সভ্য সমাজ গড়ে উঠতে পারে না।
তারা বলেন, বাংলাদেশের সংবিধান নারী-পুরুষের সমঅধিকার নিশ্চিত করেছে। কিন্তু বাস্তবে আমরা এখনো সেই নিরাপদ ও মানবিক সমাজ গড়ে তুলতে পারিনি। তাই আজকের এই বিক্ষোভ সমাবেশ কেবল প্রতিবাদ নয়, এটি একটি সামাজিক জাগরণের আহ্বান।
বক্তারা আরও বলেন, নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনায় দ্রæত তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করে, বিচারহীনতার সংস্কৃতি বন্ধ করতে হবে। তরুণ প্রজন্মকে মানবিক মূল্যবোধ, সম্মান ও সহনশীলতার শিক্ষা দিতে হবে।
বক্তারা একই সঙ্গে রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোকে একযোগে সচেতনতা বৃদ্ধিতে কাজ করার আহবান জানান।