শনিবার সকাল সাড়ে ৯টায় শহরের প্রাণকেন্দ্র সাতমাথা এলাকায় এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন বগুড়া সিটি করপোরেশনের প্রশাসক এম আর ইসলাম স্বাধীন। উদ্বোধনের পর একটি র্যালি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। সাতমাথা থেকে শুরু হওয়া র্যালিটি কাঠালতলা, নবাববাড়ি ও জলেশ্বরীতলা এলাকা ঘুরে নগর ভবনে গিয়ে শেষ হয়।
কর্মসূচিতে প্রশাসক এম আর ইসলাম স্বাধীন বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু সিটি করপোরেশনের উদ্যোগ যথেষ্ট নয়, প্রয়োজন নগরবাসীর সম্মিলিত অংশগ্রহণ। তিনি বাসাবাড়ির ফুলের টব, ড্রাম, বালতি, পরিত্যক্ত টায়ারসহ যেকোনো স্থানে পানি জমতে না দেওয়ার আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, “মশা জন্মানোর সুযোগ পেলেই ডেঙ্গুর ঝুঁকি বাড়ে। তাই বাড়ির ছাদ, কার্নিশ ও আশপাশের পরিবেশ নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করতে হবে। প্রতি সপ্তাহে অন্তত একদিন পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চালালে মশার প্রজননস্থল অনেকাংশে ধ্বংস করা সম্ভব।”
নগরবাসীর উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, পরিচ্ছন্ন শহর গড়ার দায়িত্ব শুধু কোনো প্রতিষ্ঠানের নয়, এটি প্রতিটি নাগরিকেরও দায়িত্ব। সচেতনতা ও নিয়মিত পরিচ্ছন্নতার মাধ্যমেই ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব।
র্যালিতে শহর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সোলাইমান আলী, সিটি করপোরেশনের হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা ইকবাল হোসেনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশ নেন।
বর্ষা মৌসুমকে সামনে রেখে আয়োজিত এ কর্মসূচি থেকে নগরবাসীর প্রতি একটি স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে— “পানি জমতে দেবেন না, ডেঙ্গুকেও সুযোগ দেবেন না।”