শালিখা থানার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মোঃ রাজিব হোসেন (৩১), পিতা-মফিজুর রহমান, সাং-কাদিরপাড়া, ইউনিয়ন-শতখালী, থানা-শালিখা, জেলা-মাগুরা। বিবাদী জয়নাব খাতুন (৪৫) (কথিত জ্বিনের বাদশা), পিতা-মৃত শাহাদৎ শেখ, মোঃ সোহাগ হোসেন (২৩), পিতা-মোঃ কাশেম হাওলাদার, সাং-তালখড়ি, ইউনিয়ন-তালখড়ি, থানা-শালিখা, জেলা-মাগুরাদের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ হয়। রাজিব হোসেন চ্যানেল এস টেলিভিশন এর মাগুরা প্রতিনিধি হিসাবে সাংবাদিকতা করেন। জয়নাব খাতুন জ্বিনের বাদশা পরিচয়ে তালখড়ি সরকারী কমিউনিটি ক্লিনিকে রোগী দেখে বিবাদী সোহাগ সহযোগী হিসাবে কাজ করে।
স্থানীয় লোকের অভিযোগের ভিত্তিতে রাজিব হোসেন মঙ্গলবার ১৪/০৭/২০২৬ তারিখ সন্ধ্যা আনুমানিক ৭ টার সময় জয়নাব ও সোহাগ তালখড়ি সরকারী কমিউনিটি ক্লিনিকে রোগী দেখার সময় সাক্ষাৎকার ভিডিও ফুটেজ ধারন করার সময় বিবাদীরা তাদের উপর হামলা করে। রাজিব হোসেন ও তার সহযোগী মোঃ আশিকুর রহমান শিপনকে এলোপাতাড়ী ভাবে মারপিট শুরু করে এবং তার নিকট থেকে একটি মোবাইল ফোন ও একটি মাইক্রোফোন জোরপূর্বক কেড়ে নেয়। ঐ সময় তাদের ডাক চিৎকারে স্থানীয় সাক্ষী মোঃ তরিকুল ইসলাম (গ্রামপুলিশ), মোঃ এস আলম সহ আরো অনেকে এগিয়ে আসলে বিবাদীরা খুন জখমের ভয়ভীতি হুমকী প্রদর্শন করে। বিষয়টি স্থানীয় আরো অনেকে জানে ও শুনেছে।
ঘটনার বিষয়ে সাংবাদিক রাজিব হোসেন মাগুরা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ও চ্যানেল ১৮ মাগুরা জেলা প্রতিনিধি মোঃ ফারুক আহমেদ কে জানান, আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করার জন্য শালিখা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি। আমি ও আমার চ্যানেল এস টিভি চ্যানেলের ক্যামেরা ম্যানকে ভিডিও ধারণ করার সময় ও সাক্ষাৎকার গ্রহণ করার সময় শরীরে আঘাত করে মারধর করে এবং মোবাইল ক্যামেরা ও মাইক্রোফোন বুম কেড়ে নেয়। আর চিৎকার করে জয়নাব খাতুন ক্যামেরা বন্ধ করতে বলে। আমি আইনের আওতায় কঠোর শাস্তি ও বিচার দাবি করি জয়নাব খাতুন ও তার সহযোগী সোহাগের।
শালিখা থানা অফিসার ইনচার্জ ওসি মোঃ আশিকুর রহমান মাগুরা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ফারুক আহমেদ কে জানান, তালখড়ি জয়নাব খাতুন জ্বিনের বাদশা পরিচয়ে তালখড়ি সরকারী কমিউনিটি ক্লিনিকে রোগী দেখা নিয়ে সাংবাদিকদের মারধর ও পেশাগত কাজে বাধা দেওয়া বিষয়টা নিয়ে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টা তদন্ত অফিসার কে ভার দেওয়া হয়েছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে অপরাধীদের আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।