জানা যায়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগ থেকে অনার্স ও মাস্টার্স সম্পন্ন করে ‘বার অ্যাট ল’ করার জন্য যুক্তরাজ্যে যান। সেখানে পড়াশোনার খরচ জোগাতে খণ্ডকালীন চাকরি করতে একটি রেস্টুরেন্টে যোগ দেন। এক সাক্ষাৎকারে তিনিই বিষয়টি জানিয়ে বলেন, এটি তার জীবনের গৌরবের মুহূর্ত, কাজও করেছেন, আবার পড়াশোনার খরচও জোগাড় করেছেন।
ব্যারিস্টার কায়সার কামাল ১৯৭২ সালের ৩১ ডিসেম্বর নেত্রকোনা জেলার কলমাকান্দা উপজেলার চত্রংপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা মোস্তফা কামাল মনছুর এবং মা বেগম যোবায়দা কামাল। তার বাবা প্রয়াত মোস্তফা কামাল মনছুর কলমাকান্দা সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন।
ব্যারিস্টার কায়সার কামাল লিঙ্কনস ইন থেকে বার-অ্যাট-ল ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে ২০০৮ সালে জেলা আদালতে এবং ২০১০ সালে সুপ্রিম কোর্টে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন। বর্তমানে তিনি সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী।
তিনি অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের সদস্য (টাওয়ার হ্যামলেটস, ইস্ট লন্ডন গ্রুপ)।
১৯৮৮ সালে ছাত্ররাজনীতির মাধ্যমে তার রাজনৈতিক জীবন শুরু হয় এবং ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য হন। ২০০৯ সালে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাহী সদস্য হন এবং ২০১৬ সাল থেকে দলটির আইনবিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের মহাসচিবও।
তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের প্রার্থী হিসেবে নেত্রকোনা-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
১৭ ফেব্রুয়ারি তিনি ভূমি প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে কায়সার কামাল ৭০ হাজার ৮৫৫ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হন।
পেশাগত জীবনে তিনি সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী হিসেবে কাজ করছেন এবং বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিভিন্ন রাজনৈতিক ও আইনি মামলায় আইনজীবী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।