পৌরসভা সূত্রে জানা যায়, পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ইতোমধ্যে ৬ লাখ লিটার ধারণক্ষমতার ওভারহেড জলাধার, ৩৭ কিলোমিটার পাইপলাইন, ৩টি উৎপাদন নলকূপ, প্রায় ৩ কিলোমিটার ড্রেন এবং ৭৫০টি স্বাস্থ্যসম্মত টয়লেট নির্মাণ করা হয়েছে। এছাড়া মানব বর্জ্য সংগ্রহের জন্য দুটি ভ্যাকুয়াম ট্রাকও সরবরাহ করা হয়েছে।
প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে সেপটি ট্যাংক থেকে সংগ্রহ করা বর্জ্য শোধন করে পরিবেশবান্ধব উপায়ে নিষ্কাশন করা হবে এবং উৎপাদিত কঠিন বর্জ্য জৈব সার হিসেবে ব্যবহার করা যাবে। এতে পরিবেশ দূষণ কমার পাশাপাশি কৃষিজমির উর্বরতা বৃদ্ধি পাবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
কমলগঞ্জ পৌরসভার প্রকৌশলী মো. বেলাল হোসেন বলেন- এক একর জমির অভাবে কোটি টাকার প্রকল্পটি ঝুলে আছে। জমি না পেলে পৌরবাসী এর সুফল থেকে বঞ্চিত হতে পারেন।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জয়ন্ত কুমার রায় বলেন, শোধনাগার থেকে উৎপাদিত জীবাণুমুক্ত জৈব সার মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি ও জমির স্বাস্থ্য পুনরুদ্ধারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান জানান, প্রকল্পের জন্য প্রয়োজনীয় এক একর জমি পাওয়া গেলে দ্রুত বাস্তবায়ন কাজ শুরু করা হবে।
স্থানীয়দের দাবি, ধলাই নদীর তীরবর্তী সরকারি খাস জমি ব্যবহার করে দ্রুত প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হলে কমলগঞ্জ পৌরসভা একটি পরিচ্ছন্ন, স্বাস্থ্যসম্মত ও পরিবেশবান্ধব নগরীতে পরিণত হবে।