স্থানীয়দের দাবি, নইনার পাড় বাজারে সিসিটিভি ফুটেজে শিমলাকে উত্তরভাগ গ্রামের লীলা বেগমের সঙ্গে ব্রীজের উপর দিয়ে যেতে দেখা গেছে। লীলা বেগম বলেন, শিমলা তার সঙ্গে দেখা করে জানায়, তার বাবা তাকে ও তার সৎমাকে মারধর করেছেন। তাকে একটি সিএনজি জোগাড় করে দেওয়ার জন্য অনুরোধ করে। লীলা তাকে বাবার কাছে নিয়ে গিয়ে বিষয়টি মীমাংসার কথা বললেও শিমলাকে আটকাতে পারেননি বলে জানান।
এদিকে শিমলার সন্ধানে সিসিটিভি ফুটেজ দেখাকে কেন্দ্র করে ওই রাত আনুমানিক সাড়ে ১০টার দিকে উত্তরভাগ গ্রামের ব্যবসায়ী সাহান মিয়ার দোকানের সামনে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে সাহান মিয়া ক্যাশবাক্স থেকে সিলভার রঙের একটি রিভলভার বের করে গুলি করার চেষ্টা করেন। পরে একটি কালো খেলনা পিস্তল ইউপি সদস্য আজিম উদ্দিনের মাধ্যমে আলতা মিয়ার বাড়িতে পাঠানো হয় বলে জানা গেছে।
ইউপি সদস্য আজিম উদ্দিন বলেন,ব্যবসায়ী সাহান মিয়া আমাকে একটি খেলনা পিস্তল দেন। সেটি আমি আলতা মিয়ার বাড়িতে দিয়েছি। এলাকার সবাই মিলে মেয়েটিকে খুঁজেছি, কিন্তু তাকে পাওয়া যায়নি।
তবে সাহান মিয়া রিভলভার থাকার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তার কাছে কোনো বেআইনি অস্ত্র নেই। দোকানের সামনে চেঁচামেচি ও তার সঙ্গে খারাপ আচরণ করায় তিনি তার ছেলের খেলনা পিস্তল দিয়ে শুধু ভয় দেখিয়েছিলেন।
কমলগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো. কমর উদ্দিন জানান, নিখোঁজ কিশোরীর বাবা আলতা মিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন। শিমলার সন্ধান ও ঘটনার অন্যান্য বিষয় পুলিশ তদন্ত করে দেখছে।
তবে সিসিটিভি ফুটেজে শিমলার পরবর্তী গতিবিধি এবং সাহান মিয়ার কাছে কোনো বৈধ বা অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র ছিল কি না—এসব বিষয় এখনো তদন্তসাপেক্ষ।