তিনি বলেন, খাতায় যা-ই লেখা থাকুক, সঠিক উত্তর যাচাই করেই নম্বর দিতে হবে। কোনোভাবেই অতিরিক্ত বা কম নম্বর দেওয়া যাবে না।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, চট্টগ্রামসহ সংশ্লিষ্ট মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডগুলোর কেন্দ্র সচিবদের সঙ্গে জুম বৈঠকে তিনি এসব নির্দেশনা দেন। সভায় নকল প্রতিরোধ ও সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা আয়োজনের বিষয়ে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।
শিক্ষকদের নিরাপত্তা প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, অতীতের মতো এবারও শিক্ষকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। তিনি পরীক্ষকদের নির্ভয়ে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান।
পরীক্ষাকে ঘিরে কোনো ধরনের আতঙ্ক সৃষ্টি না করার নির্দেশ দিয়ে তিনি প্রতিটি কক্ষে ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা (সিসিটিভি) স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়ার কথা বলেন। বিদ্যুৎ বিভ্রাটের ক্ষেত্রে পর্যবেক্ষণ চালু রাখতে বিকল্প হিসেবে আইপিএস ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। বিশেষ করে পার্বত্য অঞ্চলের দুর্গম কেন্দ্রগুলোতে এ ব্যবস্থা কার্যকর হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
মন্ত্রী বলেন, অতীতে শিক্ষকদের সহযোগিতায় পাবলিক পরীক্ষায় নকল বন্ধ করা সম্ভব হয়েছিল এবং এবারও সম্মিলিত প্রচেষ্টায় নকলমুক্ত পরীক্ষা আয়োজন করা যাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
প্রশ্নপত্র ফাঁসকে গুরুতর অপরাধ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ ধরনের ঘটনায় জড়িতদের কঠোরভাবে আইনের আওতায় আনা হবে।
এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে স্থানীয় সংসদ সদস্য, রাজনৈতিক নেতা ও গণমাধ্যমকর্মীদের সহযোগিতা কামনা করেন শিক্ষামন্ত্রী। পাশাপাশি একটি মেধাবী জাতি গঠনে সবার সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান জানান।
সভায় বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্ট কেন্দ্র সচিবরা উপস্থিত ছিলেন।