ইরান আলোচনার জন্য দুটি মূল শর্ত দিয়েছে:
১। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল অবিলম্বে শত্রুতা বন্ধ করবে, বিশেষ করে ইরানের শীর্ষ সামরিক ও বেসামরিক নেতৃত্বকে লক্ষ্য করে হামলা বন্ধ করতে হবে।
২। মার্কিন প্রেসিডেন্টের দেওয়া হরমুজ প্রণালী পুনরায় খোলার ডেডলাইন প্রত্যাহার করতে হবে।
পাকিস্তান প্রস্তাব দিয়েছে অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি কার্যকর করা, হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়া, দুই-তিন সপ্তাহ সময় নিয়ে স্থায়ী সমাধানের পথ খোঁজা এবং পরবর্তীতে ইসলামাবাদে সরাসরি বৈঠক আয়োজন।
পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মাধ্যমে তারা উভয় পক্ষের সঙ্গে নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ রাখছে। তবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইতোমধ্যেই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, ইরান দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে হামলার তীব্রতা বাড়ানো হবে।
বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের এই সংকট অনিশ্চিত সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে, যেখানে পাকিস্তানের মধ্যস্থতার চেষ্টা, ট্রাম্পের আল্টিমেটাম এবং ইরানের কঠোর শর্ত পরিস্থিতিকে যে কোনো সময় অপ্রত্যাশিত পরিণতির দিকে ঠেলে দিতে পারে।