মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, সম্প্রসারিত ফ্লাইটসূচি ও ভাড়া কমানোর উদ্যোগসহ সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হওয়ার পর হজ ফ্লাইট শুরু হচ্ছে।
বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ হজযাত্রী প্রেরণকারী দেশ হিসেবে বাংলাদেশ থেকে এবছর মোট ৭৮ হাজার ৫০০ জন হজ পালন করতে সৌদি আরবে যাবেন।
এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৫৬৫ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭৩ হাজার ৯৩৫ জন হজযাত্রী যাবেন।
মোট হজযাত্রীর প্রায় ৫০ শতাংশ বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মাধ্যমে ভ্রমণ করবেন, আর বাকি যাত্রীরা সৌদিয়া ও ফ্লাইনাস ব্যবহার করবেন।
ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, এবছর উদ্বোধনী হজ ফ্লাইট ১৮ এপ্রিল রাত ১২টা ২০ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সৌদি আরবের জেদ্দার কিং আব্দুলআজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্দেশে ছেড়ে যাবে। এতে ৪১৯ জন হজযাত্রী থাকবেন।
সেদিন মোট ১৪টি ফ্লাইট পরিচালিত হবে। এর মধ্যে ছয়টি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, ৩টি সৌদিয়া এবং ৩টি ফ্লাইনাস পরিচালনা করবে।
প্রাক-হজ ফ্লাইট চলবে ২১ মে পর্যন্ত। এসময় মোট ২০৭টি ফ্লাইট পরিচালিত হবে। এর মধ্যে ১০২টি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, ৭৫টি সৌদিয়া এবং ৩০টি ফ্লাইনাস পরিচালনা করবে।
চাঁদ দেখা সাপেক্ষে, আগামী ২৬ মে ২০২৬ পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
হজ শেষে ফেরত ফ্লাইট ৩০ মে থেকে শুরু হয়ে ১ জুলাই পর্যন্ত চলবে।