চালকদের অভিযোগ, লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা গাড়ির বিরুদ্ধেও নো পার্কিংয়ের মামলা দিচ্ছে পুলিশ। এমন পরিস্থিতিতে অনেক পাম্পই ২৪ ঘণ্টা সচল নেই। পাম্প কর্তৃপক্ষের ভাষ্য, ডিপো থেকে যে পরিমাণ তেল সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে, সেটুকুই তারা গ্রাহকদের মধ্যে বিতরণ করছেন।
তীব্র গরম আর কাঠফাটা রোদের মধ্যে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে চালকদের। ভোগান্তিতে পড়া অনেকে জানান, তাদের অপেক্ষার সময় ১২ থেকে ১৩ ঘণ্টা ছাড়িয়ে গেছে।
সরকারের বিপণন ব্যবস্থার আশ্বাস মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়িত হয়নি বলে অভিযোগ চালকদের। তারা বলছেন, এই পরিস্থিতিতে জরুরি কাজেও বের হতে পারছেন না। এর মধ্যে আবার নো পার্কিংয়ের মামলার ভয়ও যোগ হয়েছে।
কিছু পাম্পে সিরিয়াল বিক্রি এবং জোর করে লাইনে ঢুকে তেল নেওয়ার অভিযোগে সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটছে।
রাইড শেয়ারিং করে জীবিকা নির্বাহকারী চালকদের দুর্ভোগ আরও বেশি। দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার কারণে অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়ছেন।
পাম্প কর্তৃপক্ষ বলছে, ডিপো থেকে যতটুকু তেল সরবরাহ পাচ্ছেন, তার বাইরে দেওয়ার সুযোগ নেই।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) রাজধানীর মিরপুর, আসাদগেট ও গাবতলিসহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, ফুয়েল পাস অ্যাপসের আওতায় থাকা গ্রাহকদের ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে। আর যাদের এই সুবিধা নেই, তারা পাচ্ছেন ৫০০ থেকে ৮০০ টাকার তেল।