বিজিবি সূত্র জানায়, আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্যবৃদ্ধি ও অস্থিতিশীলতার সুযোগে যাতে সীমান্ত দিয়ে পার্শ্ববর্তী দেশে জ্বালানি তেল পাচার না হয়, সে লক্ষ্যে সীমান্ত এলাকায় টহল, তল্লাশি ও গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।
বিজিবির গৃহীত পদক্ষেপের মধ্যে রয়েছে—জ্বালানি ডিপোগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, ডিপো থেকে ফিলিং স্টেশন পর্যন্ত সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা, সীমান্ত ও নৌপথে পাচার প্রতিরোধ এবং সীমান্ত এলাকায় অবৈধ মজুদ বন্ধ করা।
যশোর রিজিয়নের আওতাধীন সাতটি ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় ১৯২টি বিশেষ তল্লাশি অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। পাশাপাশি ২৯টি ফিলিং স্টেশন পর্যবেক্ষণ, ১ হাজার ৯৩৬টি তল্লাশি ও মোবাইল টহল, ১ হাজার ১৩১টি চেকপোস্ট পরিচালনা এবং ৯৪৬টি মতবিনিময় সভা আয়োজন করা হয়েছে। বিভিন্ন সংস্থা ও বাহিনীর সঙ্গে ৯৭টি যৌথ অভিযানও পরিচালিত হয়েছে।
নৌপথে পাচার ঠেকাতে স্পিডবোটের মাধ্যমে নিয়মিত টহল দেওয়া হচ্ছে, ফলে নদীপথেও সার্বক্ষণিক নজরদারি নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে।
বিজিবি জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট সব সংস্থা ও জনগণের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় জ্বালানি খাতে শৃঙ্খলা বজায় রাখা সম্ভব। এ জন্য কোনো গুজবে বিভ্রান্ত না হয়ে সন্দেহজনক কার্যক্রম দেখা গেলে দ্রুত বিজিবিকে জানানোর আহ্বান জানানো হয়েছে।
বিজিবি সদর দপ্তরের নির্দেশনায় সারাদেশে ৯টি জেলার ১৯টি ডিপোতে বিজিবি মোতায়েন রয়েছে।
যশোর ব্যাটালিয়ন (৪৯ বিজিবি) অধিনায়ক গোলাম মোহাম্মদ সাইফুল আলম খান এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান।