চালকরা জানিয়েছেন, ট্রিপের সংখ্যা কমে গেছে, তেল সংগ্রহে সময় নষ্ট হচ্ছে এবং ভাড়া বাড়ার সুযোগ নেই। ফলে অনেকেই অন্য কাজ বা বিদেশে যাওয়ার কথা ভাবছেন।
শরীফ সুজন বলেন, “আগে আধাবেলার কাজেও ১,০০০ টাকা, সারাদিনে ১,৫০০ টাকা আয় হতো। এখন ঈদের পর পর্যন্ত ৫,০০০ টাকাও আয় করতে পারিনি। অ্যাপে কলও কম এসেছে।”
কবির হোসেন যোগ করেন, “সকালে বের হয়ে সারাদিনে একটি ট্রিপও পাইনি। তেলের জন্য আবার লাইনে দাঁড়াতে হয়। দৈনিক খরচ তুলতেও হিমশিম খেতে হচ্ছে। নতুন কিছু ভাবতে হবে।”
চালকরা জানিয়েছেন, অ্যাপভিত্তিক ভাড়া আগের মতোই আছে। দূরত্ব অনুযায়ী ভাড়া বাড়েনি, তাই সময় ও খরচ বাড়লেও আয় বাড়ছে না। রাইডশেয়ারিং যাত্রীরাও জানিয়েছেন, সংকটের কারণে চালকরা কখনও অতিরিক্ত ভাড়া চাননি।
ফলস্বরূপ, ঢাকার রাইডশেয়ারিং খাতের চালকরা জ্বালানি সংকট ও আয়ের কম হওয়ার কারণে প্রতিনিয়ত আর্থিক চাপে পড়ছেন।