প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, এই ফিচারের ফলে কনটেন্ট নির্মাতারা তাদের ডিজিটাল পরিচয়ের ওপর আরও নিয়ন্ত্রণ পাবেন। একই সঙ্গে এআই দিয়ে তৈরি ভিডিওতে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে বিশেষ লেবেল ও ওয়াটারমার্ক যুক্ত থাকবে, যেমন সিন্থআইডি ও সিটুপিএ শনাক্তকারী।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফিচারটি ব্যবহার করতে হলে ‘এআই প্লেগ্রাউন্ড’-এ গিয়ে লাইভ সেলফি ও কণ্ঠ রেকর্ড করতে হবে। এরপর তৈরি হবে বাস্তবসম্মত ভার্চুয়াল অ্যাভাটার, যা ব্যবহারকারী নিজের পছন্দ অনুযায়ী পরিবর্তন বা উন্নত করতে পারবেন।
অ্যাভাটার তৈরির ক্ষেত্রে কিছু নির্দেশনাও দিয়েছে ইউটিউব। যেমন—ফোন চোখের সমতলে রাখা, পর্যাপ্ত আলো নিশ্চিত করা, শান্ত পরিবেশে থাকা এবং ফ্রেমে একা থাকা। এছাড়া এই ফিচার ব্যবহারের জন্য ব্যবহারকারীর বয়স ১৮ বছরের বেশি হতে হবে এবং অ্যাকাউন্টের মালিক নিজেই হতে হবে।
অ্যাভাটার তৈরি হয়ে গেলে ব্যবহারকারী টেক্সট নির্দেশনার মাধ্যমে সর্বোচ্চ ৮ সেকেন্ড দৈর্ঘ্যের ভিডিও তৈরি করতে পারবেন। পাশাপাশি বিদ্যমান শর্টস ভিডিওতেও ‘রিমিক্স’ ও ‘রি-ইম্যাজিন’ অপশনের মাধ্যমে অ্যাভাটার যুক্ত করার সুযোগ থাকবে।
ইউটিউব আরও জানিয়েছে, ব্যবহারকারীরা চাইলে যেকোনো সময় তাদের অ্যাভাটার বা সংশ্লিষ্ট ভিডিও মুছে ফেলতে পারবেন। তবে ভিডিও মুছে ফেললেও অ্যাভাটার স্বয়ংক্রিয়ভাবে মুছে যাবে না। টানা তিন বছর ব্যবহার না হলে অ্যাভাটার নিজে থেকেই মুছে যাবে।
নতুন এই ফিচার ধাপে ধাপে বিশ্বব্যাপী চালু করা হবে। গত এক বছরে প্ল্যাটফর্মটিতে যুক্ত হওয়া বিভিন্ন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক ফিচারের ধারাবাহিকতায় এটি যুক্ত হলো। সংশ্লিষ্টদের মতে, এসব উদ্যোগ কনটেন্ট তৈরি ও ব্যবহার অভিজ্ঞতাকে আরও আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর করে তুলবে।