অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. বোরহান উদ্দিন খান এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ফার্মেসি কাউন্সিলের সদস্য প্রফেসর ড. মো. হাসান কাউসার।
অনুষ্ঠানে নবীন শিক্ষার্থীদের ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটি পরিবারে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানানো হয়। প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে শিক্ষার্থীদের ন্যায়বোধ, সততা, মানবিক মূল্যবোধ এবং আইনের শাসনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে নিজেদের দক্ষ ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান জানান। তিনি উচ্চশিক্ষার পাশাপাশি যুক্তিবোধ, সমালোচনামূলক চিন্তাশক্তি এবং সামাজিক দায়বদ্ধতা অর্জনের গুরুত্ব তুলে ধরেন।
বিশেষ অতিথি প্রফেসর ড. মো. হাসান কাউসার শিক্ষার্থীদের গবেষণামুখী শিক্ষা, উদ্ভাবনী চিন্তা এবং পেশাগত উৎকর্ষ অর্জনে মনোনিবেশ করার পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় জীবন একজন শিক্ষার্থীর ব্যক্তিগত ও পেশাগত বিকাশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়। অতিথির বক্তব্যে চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, গাজীপুর এর বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেট এবং ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির সফল প্রাক্তন শিক্ষার্থী জনাব মোঃ আব্দুল্লাহ-আল-মাসুম নবীন শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের প্রতিটি মুহূর্তকে কাজে লাগিয়ে জ্ঞান, দক্ষতা ও নেতৃত্বগুণ বিকাশের আহ্বান জানান।
সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য প্রফেসর ড. ফরিদ আহমদ সোবহানী শিক্ষার্থীদের নৈতিক মূল্যবোধ, শৃঙ্খলা ও মানবিক গুণাবলি অর্জনের মাধ্যমে দেশ ও সমাজের কল্যাণে নিবেদিত যোগ্য নাগরিক হিসেবে নিজেদের গড়ে তোলার আহ্বান জানান। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর এসোসিয়েট প্রফেসর আব্দুর রব, নবীন শিক্ষার্থীদের শপথ পাঠ করান এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা, গবেষণা ও সহশিক্ষা কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর মো. শামসুল হুদা, স্বাগত বক্তব্য রাখেন রেজিস্ট্রার ড. আবুল বাশার খান, আইন অনুষদের ডিন এ. বি. এম. ইমদাদুল হক খান এবং লাইফ সাইন্স অনুষদের এডভাইজার প্রফেসর ড. ফিরোজ আহমেদ। অনুষ্ঠানে সমাপনী বক্তব্য দেন ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রামের কনভেনর ও আইন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মোহাম্মদ মামুনুর রশিদ।
এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী, অভিভাবক এবং নবীন শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে নবীন শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম, শিক্ষার্থী সহায়তা সেবা, বিভিন্ন ক্লাবের কার্যক্রম এবং ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠান শেষে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।