নিহত আবু সামাদ সারিয়াকান্দি উপজেলার গোয়ালবাতান ফুলবাড়ি এলাকার বাসিন্দা। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, প্রতিদিনের মতো জীবিকার তাগিদে রিকশা নিয়ে শহরের দিকে যাচ্ছিলেন তিনি। কিন্তু প্রচণ্ড গরমে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। বকশীবাজার মোড়ে এসে রিকশা থামিয়ে বসে পড়েন এবং কিছুক্ষণের মধ্যেই অচেতন হয়ে যান।
স্থানীয়রা তাৎক্ষণিকভাবে তাকে উদ্ধার করে পাশের একটি ভবনের দেয়ালে বসান। তবে অল্প সময়ের মধ্যেই তিনি নিথর হয়ে পড়েন।
খবর পেয়ে বনানী পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। ফাঁড়ির ইনচার্জ ইন্সপেক্টর ফরহাদ মন্ডল জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে অতিরিক্ত গরমের কারণে হিটস্ট্রোকে তার মৃত্যু হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
একই দিনে বগুড়া আবহাওয়া অফিস জেলার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করেছে, যা চলতি মৌসুমের সর্বোচ্চ।
এই ঘটনা তীব্র গরমে খেটে খাওয়া মানুষের ঝুঁকিপূর্ণ জীবন বাস্তবতাকে আবারও সামনে এনে দিয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অতিরিক্ত গরমে দীর্ঘ সময় বাইরে কাজ করা ব্যক্তিদের পর্যাপ্ত পানি পান, বিশ্রাম নেওয়া এবং সরাসরি রোদ এড়িয়ে চলা অত্যন্ত জরুরি।