শনিবার (৮ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, তদন্ত দ্রুত শেষ করে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিচারের মুখোমুখি করা হবে।
তদন্তে শেখ হাসিনার নির্দেশনায় তৎকালীন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সালাহউদ্দিন আহমদকে গুম করা হয়েছিল বলে তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানান চিফ প্রসিকিউটর।
তিনি বলেন, সালাহউদ্দিন আহমদকে গুমের পর ভারতে পাচারের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিষয়েও তদন্ত চলছে। ইতোমধ্যে তদন্ত কর্মকর্তা বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের মৌখিক জবানবন্দি নিয়েছেন। শিগগির তাঁর আনুষ্ঠানিক জবানবন্দি নেওয়া হবে।
এদিকে তদন্ত সংস্থার কাছে দেওয়া গুমের শিকার ছাত্রদল নেতা ও আইনজীবী সোহেলের জবানবন্দিতেও সালাহউদ্দিন আহমদকে টিএফআই সেলে আটকে রাখার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে বলে তদন্তসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন।
তদন্ত সংস্থা জানিয়েছে, সালাহউদ্দিন আহমদকে গুম, টিএফআই সেলে আটকে রাখা এবং পরে তাঁকে ভারতে পাচারের ঘটনায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
প্রসঙ্গত, ২০১৫ সালের ১০ মার্চ রাজধানীর উত্তরা থেকে তুলে নেওয়া হয় সালাহউদ্দিন আহমদকে। পরে একই বছরের ১১ মে ভারতের মেঘালয়ের শিলং থেকে স্থানীয় পুলিশ তাকে উদ্ধার করে। চব্বিশের ৫ আগস্টে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর দেশে ফিরে গুমের বিচার চেয়ে আন্তজার্তিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দেন সালাহউদ্দিন আহমদ।