গত ২১ জুন সাঘাটা উপজেলা যুবদলের সন্ত্রাসী হামলায় আহত হয়ে প্রায় দুই মাস ঢাকার ইবনে সিনা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন সালাহউদ্দিন।
মরহুমের জানাজা নামাজ শনিবার (আজ) বাদ মাগরিব সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বোনারপাড়া কাজী আজহার আলী উচ্চবিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত হবে।
শনিবার (৮ আগস্ট) দুপুরের দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাঘাটা উপজেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি সাজেদুর রহমান সাদা।
এদিকে নৃশংস হামলা ও হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন জামায়াত কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও জামায়াতের জেলা আমীর মো. আব্দুল করিম এমপি, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুল ওয়ারেছ এমপি, অধ্যাপক মো. মাজেদুর রহমান এমপি, মাওলানা নজরুল ইসলাম লেবু এমপি, জেলা জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি সৈয়দ রোকনুজ্জামান, জেলা সহকারী সেক্রেটারি ও গাইবান্ধা পৌর মেয়র প্রার্থী মো. ফয়সাল কবির রানাসহ জেলা জামায়াতের নেতৃবৃন্দ।
তাঁরা শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন। একই সঙ্গে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডে জড়িত আসামিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
নেতৃবৃন্দ বলেন, ‘আমরা আমাদের নিবেদিত প্রাণ একজন কর্মীকে হারালাম। মহান আল্লাহ আমাদের ভাইয়ের পিতা-মাতা ও আত্মীয়পরিজনকে ধৈর্য ধারণ করার তৌফিক দিন, জীবনের নেক আমলগুলো কবুল করুন এবং গুনাহখাতা মাফ করে শহীদ হিসেবে জান্নাতুল ফেরদৌসের মেহমান হিসেবে কবুল করুন।’
উল্লেখ্য, গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার কচুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি নির্বাচন ও চাপের মুখে কমিটি দেওয়াকে কেন্দ্র করে অবরুদ্ধ প্রধান শিক্ষককে উদ্ধার করতে গিয়ে গত ২১ জুন বোনারপাড়া ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক মো. মোকলেছুর রহমান মুকুল, পলাশ ও যুগ্ম আহ্বায়ক আশরাফের সরাসরি হামলায় ইতিপূর্বে বোনারপাড়া ইউনিয়ন ছাত্রশিবিরের সভাপতি মো. সাইফুল্লাহ বারী (২৪) নিহত হন।
আহত সালাহউদ্দিনকে প্রাথমিক চিকিৎসার পর বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে ঢাকার ইবনে সিনা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে দীর্ঘদিন চিকিৎসার পর আজ শনিবার সকালে সালাহউদ্দিন মারা যান।