আহত কম্পিউটার অপারেটর মো. ওয়াহিদুজ্জামান জানান, কলেজের অধ্যক্ষ মো. হাফিজুর রহমান গত বছরের কোরবানির পর তাঁর কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা ধার নেন। পরে ওই টাকা ফেরত চাইলে কয়েক মাস গড়িমসি করেন অধ্যক্ষ। একপর্যায়ে প্রায় তিন মাস আগে টাকা পরিশোধ করা হয়।
তিনি অভিযোগ করেন, বিষয়টি সহকর্মীদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ায় ক্ষুব্ধ হন অধ্যক্ষ। সোমবার তাকে অফিস কক্ষে ডেকে নিয়ে ধার নেওয়ার বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে একপর্যায়ে উত্তেজিত হয়ে মুখে কয়েকটি ঘুষি মারেন। এতে তার দুই দাঁত ভেঙে পড়ে এবং তিনি রক্তাক্ত হন।পরে সহকর্মীরা তাকে ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেরে-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যাওয়ার পরামর্শ দেন।
অভিযুক্ত অধ্যক্ষ মো. হাফিজুর রহমান ঘটনার কথা স্বীকার করে বলেন, আমি উত্তেজিত হয়ে পড়েছিলাম। এটা আমার ভুল হয়েছে। আমি দুঃখিত। তিনি আরও জানান, বিষয়টি কলেজ পরিচালনা কমিটির মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা হবে।
এ বিষয়ে কলেজ পরিচালনা কমিটির সভাপতি এসএম সুলতান মাহমুদের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে মুঠোফোনে সংযোগ পাওয়া যায়নি।
নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুল আলম জানান, এ বিষয়ে আমরা কোন অভিযোগ পাইনি।অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।